বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, দেশের ব্যাংকিং খাতে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কারণে খেলাপি ঋণের সমস্যা দ্রুত সমাধানযোগ্য নয়। বর্তমান পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর যে পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কমপক্ষে ৫ থেকে ১০ বছর লাগতে পারে।
তিনি বলেন, মোট ব্যাংকঋণের এক-তৃতীয়াংশ এখন খেলাপি এবং বাকি অংশের ওপর ভর করেই ব্যাংকগুলো টিকে আছে। নতুন তথ্য ও শ্রেণিকরণ নীতি অনুসারে প্রতি প্রান্তিকে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বাড়ছে। দুই বছর আগে সরকারি হিসাব অনুযায়ী খেলাপি ঋণের হার ৮ শতাংশ হলেও বর্তমান তা ৩৫ শতাংশ ছাড়িয়েছে।
গভর্নর আরও জানান, আমদানি এলসি খোলার জন্য পর্যাপ্ত ডলার মজুত রয়েছে এবং পণ্য আমদানিতে কোনো ঝুঁকি নেই। গত বছরের তুলনায় ২০-৫০ শতাংশ বেশি এলসি ইতিমধ্যেই খোলা হয়েছে।
সভায় বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক এ কে এনামুল হক, হা-মীম গ্রুপের চেয়ারম্যান এ কে আজাদ, বিএসএমএ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম এবং সিটি ব্যাংকের এমডি মাসরুর আরেফিন উপস্থিত ছিলেন। তারা দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা, বিনিয়োগের সংকট এবং করনীতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
সিটি ব্যাংকের এমডি মাসরুর আরেফিন বলেন, ব্যাংক খাতে সুশাসন ফিরতে শুরু করেছে। ঋণ বিতরণ এখন নিয়ম অনুসারেই হচ্ছে এবং জাতীয় নির্বাচনের পর বিনিয়োগ পরিস্থিতির উন্নতি আশা করা যায়।
ডেস্ক নিউজ 



















