রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৯:৪৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬
  • 186

রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দান-এ পবিত্র ঈদুল ফিতর-এর প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টায় এ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তারা একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেন।

এছাড়া জামাতে অংশ নেন মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, বিচারপতি, রাজনৈতিক নেতা, সরকারি কর্মকর্তা, কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মুসল্লিরা। নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করেন।

ঈদের প্রধান জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ-এর খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক। দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ শেষে খুতবা প্রদান করা হয়।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন-এর ব্যবস্থাপনায় ঈদগাহ ময়দানে জামাতের আয়োজন করা হয়। মুসল্লিদের জন্য অযু, চিকিৎসা ও নিরাপত্তাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়। নারীদের জন্য পৃথক প্রবেশপথ ও নামাজের ব্যবস্থাও রাখা হয়।

সব মিলিয়ে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়, যার মধ্যে সাড়ে তিন হাজার নারী ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত

Update Time : ০৯:৪৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দান-এ পবিত্র ঈদুল ফিতর-এর প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টায় এ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তারা একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেন।

এছাড়া জামাতে অংশ নেন মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, বিচারপতি, রাজনৈতিক নেতা, সরকারি কর্মকর্তা, কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মুসল্লিরা। নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করেন।

ঈদের প্রধান জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ-এর খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক। দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ শেষে খুতবা প্রদান করা হয়।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন-এর ব্যবস্থাপনায় ঈদগাহ ময়দানে জামাতের আয়োজন করা হয়। মুসল্লিদের জন্য অযু, চিকিৎসা ও নিরাপত্তাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়। নারীদের জন্য পৃথক প্রবেশপথ ও নামাজের ব্যবস্থাও রাখা হয়।

সব মিলিয়ে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়, যার মধ্যে সাড়ে তিন হাজার নারী ছিলেন।