রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও বিরোধীদলীয় নেতা

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৪:৪৫:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
  • 18

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিএনপির রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। নির্বাচনে মোট ভোটার ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে নির্বাচনী কর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। ভোটগ্রহণের আগে সংসদ সদস্যদের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেওয়ার নিয়ম ও ব্যালট ব্যবহারের পদ্ধতি জানিয়ে দেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি পদে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অলি আহমদ।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংসদ সদস্য হওয়ায় তিনি নিজেও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। তবে রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও অলি আহমদ সংসদ সদস্য নন। ফলে তিনি এ নির্বাচনে ভোট দিতে পারছেন না।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর ব্যালট গণনা শুরু হবে। সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত প্রার্থীকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।

সংসদের নিয়মিত অধিবেশন চলমান না থাকায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে সংসদ সদস্যদের নিয়ে বিশেষ বৈঠক ডাকা হয়েছে। সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ আসনে বসে ভোট দিচ্ছেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ব্যালট গ্রহণের আগে সংসদ সদস্যরা ব্যালটের মুড়ি অংশে নিজের পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করছেন। এরপর মূল ব্যালটে পছন্দের প্রার্থীর নামের পাশে নির্ধারিত স্থানে নিজের পূর্ণ নাম ও স্বাক্ষর করে তা নির্ধারিত ব্যালট বাক্সে জমা দিচ্ছেন।

১৯৯১ সালে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের পর ওই বছরই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রথম ভোট হয়। এরপর সাতজন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এবার দ্বিতীয়বারের মতো সংসদ সদস্যরা সরাসরি ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করছেন।

‘রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১’ অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনী কর্তা হিসেবে পুরো নির্বাচন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পাঁচ বছরের মেয়াদে দায়িত্ব পালন করবেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও বিরোধীদলীয় নেতা

Update Time : ০৪:৪৫:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিএনপির রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। নির্বাচনে মোট ভোটার ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে নির্বাচনী কর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। ভোটগ্রহণের আগে সংসদ সদস্যদের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেওয়ার নিয়ম ও ব্যালট ব্যবহারের পদ্ধতি জানিয়ে দেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি পদে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অলি আহমদ।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংসদ সদস্য হওয়ায় তিনি নিজেও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। তবে রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও অলি আহমদ সংসদ সদস্য নন। ফলে তিনি এ নির্বাচনে ভোট দিতে পারছেন না।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর ব্যালট গণনা শুরু হবে। সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্ত প্রার্থীকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।

সংসদের নিয়মিত অধিবেশন চলমান না থাকায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে সংসদ সদস্যদের নিয়ে বিশেষ বৈঠক ডাকা হয়েছে। সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ আসনে বসে ভোট দিচ্ছেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ব্যালট গ্রহণের আগে সংসদ সদস্যরা ব্যালটের মুড়ি অংশে নিজের পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করছেন। এরপর মূল ব্যালটে পছন্দের প্রার্থীর নামের পাশে নির্ধারিত স্থানে নিজের পূর্ণ নাম ও স্বাক্ষর করে তা নির্ধারিত ব্যালট বাক্সে জমা দিচ্ছেন।

১৯৯১ সালে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের পর ওই বছরই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রথম ভোট হয়। এরপর সাতজন রাষ্ট্রপতি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এবার দ্বিতীয়বারের মতো সংসদ সদস্যরা সরাসরি ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করছেন।

‘রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১’ অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচনী কর্তা হিসেবে পুরো নির্বাচন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পাঁচ বছরের মেয়াদে দায়িত্ব পালন করবেন।