‘শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে’

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০২:৩৬:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
  • 125

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডের পর ব্যবসায়ী, রপ্তানিমুখী শিল্প সংশ্লিষ্ট ও বৈদেশিক ক্রেতারা উদ্বিগ্ন বলে জানিয়েছেন এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইএবি) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।

তিনি বলেন, এই ধরনের ঘটনা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে কার্গো ভিলেজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর নয় এবং এটি নিরাপত্তার দিক থেকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। একইভাবে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও নিরাপত্তার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

মোহাম্মদ হাতেম সংবাদ সম্মেলনে আরও বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পণ্যের বিমা দাবি দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশনা দেওয়া প্রয়োজন। যে পণ্যের বিমা করা হয়নি, সেগুলোর জন্য সরকারি বিশেষ তহবিল গঠন করে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ ও সহায়তা প্রদান করা উচিত। ভবিষ্যতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্গো ভিলেজের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণের আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, ওষুধ শিল্পের জন্য আধুনিক শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত আলাদা গুদাম ব্যবস্থা করা, রাসায়নিক গুদাম নিরাপদ দূরত্বে স্থাপন করা এবং কার্গো ভিলেজের গুদাম ব্যবস্থাপনাকে সম্পূর্ণ অটোমেটেড ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর করার প্রয়োজন রয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডের দায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সিএএবি), কাস্টম হাউস এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস কেউ এড়াতে পারবে না। সিএএবি কার্গো ভিলেজের মালিক, কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আমদানিকৃত পণ্যের তত্ত্বাবধায়ক এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস হলো হ্যান্ডলিং এজেন্ট।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Din Mohammad

জনপ্রিয়

নির্মাতা মুকুল নেত্রবাদীর ‘দুধমা’য় নবাগতা চিত্রনায়িকা সিনথিয়ার অভিষেক

‘শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে’

Update Time : ০২:৩৬:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ডের পর ব্যবসায়ী, রপ্তানিমুখী শিল্প সংশ্লিষ্ট ও বৈদেশিক ক্রেতারা উদ্বিগ্ন বলে জানিয়েছেন এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইএবি) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।

তিনি বলেন, এই ধরনের ঘটনা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে কার্গো ভিলেজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর নয় এবং এটি নিরাপত্তার দিক থেকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। একইভাবে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও নিরাপত্তার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

মোহাম্মদ হাতেম সংবাদ সম্মেলনে আরও বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পণ্যের বিমা দাবি দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশনা দেওয়া প্রয়োজন। যে পণ্যের বিমা করা হয়নি, সেগুলোর জন্য সরকারি বিশেষ তহবিল গঠন করে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ ও সহায়তা প্রদান করা উচিত। ভবিষ্যতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্গো ভিলেজের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণের আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, ওষুধ শিল্পের জন্য আধুনিক শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত আলাদা গুদাম ব্যবস্থা করা, রাসায়নিক গুদাম নিরাপদ দূরত্বে স্থাপন করা এবং কার্গো ভিলেজের গুদাম ব্যবস্থাপনাকে সম্পূর্ণ অটোমেটেড ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর করার প্রয়োজন রয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডের দায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সিএএবি), কাস্টম হাউস এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস কেউ এড়াতে পারবে না। সিএএবি কার্গো ভিলেজের মালিক, কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আমদানিকৃত পণ্যের তত্ত্বাবধায়ক এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস হলো হ্যান্ডলিং এজেন্ট।