একসঙ্গে চার সন্তানের জন্ম দিলেন গৃহবধূ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৩৪:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ অক্টোবর ২০২৩
  • 351

জেলা প্রতিনিধি | বরিশাল |
বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তিন ছেলে ও এক মেয়ের জন্ম দিলেন ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার সোনাউটা গ্রামের গৃহবধূ মুক্তা আক্তার পুতুল (২৪)।

শুক্রবার (৬ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চার সন্তান প্রসব করেন পুতুল। এরআগে শুক্রবার (৬ অক্টোবর) সকাল ৭টায় তিনি প্রসব বেদনা নিয়ে শেবাচিম হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডে ভর্তি হন। পুতুল ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার সোনাউটা গ্রামের বাসিন্দা ও বাহরাইন প্রবাসী সিদ্দিকুর রহমানের স্ত্রী।

হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মনিরুজ্জামান শাহিন বলেন, চারটি বাচ্চারই ওজন কম। তাই চার শিশুকেই হাসপাতালের নিউনেটাল ওয়ার্ডে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধায়নে রাখা হয়েছে। এখনও কোনো শিশু শঙ্কাযুক্ত বলা যাবে না।

শেবাচিম হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এম আর তালুকদার মুজিব জানান, শিশুদের শারীরিক গঠন ও বাহ্যিক সবকিছু স্বাভাবিক রয়েছে।

শিশুদের নানী মায়া বেগম বলেন, ১০ বছর আগে আমার মেয়ে মুক্তার বিয়ে হয়েছে। গেলো রমজানে দেশে থাকলেও বর্তমানে মুক্তার স্বামী সিদ্দিকুর রহমান বাহরাইন আছেন। তাদের সংসারে ৬-৭ বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। বর্তমানে যে চারটি সন্তানের জন্ম হয়েছে তাদের নাম যথাক্রমে সায়েম, সালিম, আলিম ও আয়শা রাখা হয়েছে।

 

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

একসঙ্গে চার সন্তানের জন্ম দিলেন গৃহবধূ

Update Time : ০১:৩৪:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ অক্টোবর ২০২৩

জেলা প্রতিনিধি | বরিশাল |
বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তিন ছেলে ও এক মেয়ের জন্ম দিলেন ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার সোনাউটা গ্রামের গৃহবধূ মুক্তা আক্তার পুতুল (২৪)।

শুক্রবার (৬ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চার সন্তান প্রসব করেন পুতুল। এরআগে শুক্রবার (৬ অক্টোবর) সকাল ৭টায় তিনি প্রসব বেদনা নিয়ে শেবাচিম হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডে ভর্তি হন। পুতুল ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার সোনাউটা গ্রামের বাসিন্দা ও বাহরাইন প্রবাসী সিদ্দিকুর রহমানের স্ত্রী।

হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মনিরুজ্জামান শাহিন বলেন, চারটি বাচ্চারই ওজন কম। তাই চার শিশুকেই হাসপাতালের নিউনেটাল ওয়ার্ডে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধায়নে রাখা হয়েছে। এখনও কোনো শিশু শঙ্কাযুক্ত বলা যাবে না।

শেবাচিম হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এম আর তালুকদার মুজিব জানান, শিশুদের শারীরিক গঠন ও বাহ্যিক সবকিছু স্বাভাবিক রয়েছে।

শিশুদের নানী মায়া বেগম বলেন, ১০ বছর আগে আমার মেয়ে মুক্তার বিয়ে হয়েছে। গেলো রমজানে দেশে থাকলেও বর্তমানে মুক্তার স্বামী সিদ্দিকুর রহমান বাহরাইন আছেন। তাদের সংসারে ৬-৭ বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। বর্তমানে যে চারটি সন্তানের জন্ম হয়েছে তাদের নাম যথাক্রমে সায়েম, সালিম, আলিম ও আয়শা রাখা হয়েছে।