সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে আজও প্রতিবাদ সমাবেশ

সরকারি চাকরি অধ্যাদেশকে কর্মচারী বিরোধী ও কালো আইন উল্লেখ করে সদ্য জারিকৃত এই আইন বাতিলের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরাম ও বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ।

শুক্রবার (২০ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশে এই দাবি জানান তারা।

কর্মসূচিতে ১৫ শতাংশ সুবিধা ভাতা প্রত্যাহারের দাবি করছেন। তারা বলছেন, এই ভাতা কার্যকর হওয়ার ফলে তাদের বর্তমান ৫ শতাংশ বিশেষ প্রণোদনা বাতিল হয়ে যাবে, যা তাদের জন্য একটি ক্ষতির কারণ হবে। তারা এই সুবিধা বহাল রাখার পাশাপাশি, নতুন করে ৫০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা প্রদানেরও দাবি করছেন।

বক্তারা বলছেন,সরকারি চাকরি অধ্যাদেশের মাধ্যমে সরকার একটি কালো আইন তৈরি করা নজির দেখিয়েছে। এই আইনের মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার হবে। এতে কর্মচারীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অবিলম্বে আইন বাতিলের দাবি জানান তারা। দাবি আদায় না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন বক্তারা।

কর্মসূচিতে সচিবালয় ছাড়াও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা অংশ নিয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Din Mohammad

জনপ্রিয়

কমছে না মাছ-মাংসের দাম, আগাম শীতের সবজিতে কিছুটা স্বস্তি

সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে আজও প্রতিবাদ সমাবেশ

Update Time : ০২:৪৬:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫

সরকারি চাকরি অধ্যাদেশকে কর্মচারী বিরোধী ও কালো আইন উল্লেখ করে সদ্য জারিকৃত এই আইন বাতিলের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরাম ও বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ।

শুক্রবার (২০ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশে এই দাবি জানান তারা।

কর্মসূচিতে ১৫ শতাংশ সুবিধা ভাতা প্রত্যাহারের দাবি করছেন। তারা বলছেন, এই ভাতা কার্যকর হওয়ার ফলে তাদের বর্তমান ৫ শতাংশ বিশেষ প্রণোদনা বাতিল হয়ে যাবে, যা তাদের জন্য একটি ক্ষতির কারণ হবে। তারা এই সুবিধা বহাল রাখার পাশাপাশি, নতুন করে ৫০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা প্রদানেরও দাবি করছেন।

বক্তারা বলছেন,সরকারি চাকরি অধ্যাদেশের মাধ্যমে সরকার একটি কালো আইন তৈরি করা নজির দেখিয়েছে। এই আইনের মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার হবে। এতে কর্মচারীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অবিলম্বে আইন বাতিলের দাবি জানান তারা। দাবি আদায় না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন বক্তারা।

কর্মসূচিতে সচিবালয় ছাড়াও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা অংশ নিয়েছেন।