এক রাতে ৭ জনকে গলা কেটে হত্যা

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০২:৪৬:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
  • 164

নওগাঁ ও কক্সবাজারে পৃথক ঘটনায় এক রাতে সাতজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় চারজন এবং টেকনাফে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে একই পরিবারের চারজনকে হত্যা করা হয়। নিহতরা হলেন হাবিবুর রহমান (৩৫), তার স্ত্রী পপি খাতুন (৩০), ছেলে পারভেজ হোসেন (১০) এবং মেয়ে সাদিয়া খাতুন (৩)। পরিবারের দুইজনকে গলা কেটে এবং দুই শিশুকে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে।

স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, ভোরে বাড়ির দরজার সামনে রক্ত দেখতে পান নিহতের বাবা। পরে ঘরে প্রবেশ করে তিনি চারজনের মরদেহ দেখতে পান এবং পুলিশে খবর দেন।

পুলিশ জানিয়েছে, হাবিবুর রহমান গরু ব্যবসায়ী ছিলেন এবং ঘটনার দিন তিনি গরু বিক্রি করে প্রায় দুই লাখ ৮০ হাজার টাকা নিয়ে বাড়ি ফেরেন।

ধারণা করা হচ্ছে, ওই টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুটের উদ্দেশ্যে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। পুলিশের মতে, ডাকাতি এবং পরিচয় ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।

অন্যদিকে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া উত্তর শীলখালী এলাকার পাহাড়ি এলাকা থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতরা হলেন মজিদ, নুরুল বশর ও রবি। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

মানবতাবিরোধী অপরাধে গ্রেপ্তার মোজাফফর, ২ দিনের জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি

এক রাতে ৭ জনকে গলা কেটে হত্যা

Update Time : ০২:৪৬:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

নওগাঁ ও কক্সবাজারে পৃথক ঘটনায় এক রাতে সাতজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় চারজন এবং টেকনাফে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে একই পরিবারের চারজনকে হত্যা করা হয়। নিহতরা হলেন হাবিবুর রহমান (৩৫), তার স্ত্রী পপি খাতুন (৩০), ছেলে পারভেজ হোসেন (১০) এবং মেয়ে সাদিয়া খাতুন (৩)। পরিবারের দুইজনকে গলা কেটে এবং দুই শিশুকে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে।

স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, ভোরে বাড়ির দরজার সামনে রক্ত দেখতে পান নিহতের বাবা। পরে ঘরে প্রবেশ করে তিনি চারজনের মরদেহ দেখতে পান এবং পুলিশে খবর দেন।

পুলিশ জানিয়েছে, হাবিবুর রহমান গরু ব্যবসায়ী ছিলেন এবং ঘটনার দিন তিনি গরু বিক্রি করে প্রায় দুই লাখ ৮০ হাজার টাকা নিয়ে বাড়ি ফেরেন।

ধারণা করা হচ্ছে, ওই টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুটের উদ্দেশ্যে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। পুলিশের মতে, ডাকাতি এবং পরিচয় ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।

অন্যদিকে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া উত্তর শীলখালী এলাকার পাহাড়ি এলাকা থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতরা হলেন মজিদ, নুরুল বশর ও রবি। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করেছে।