প্রধান বিচারপতির এক আত্মীয় হাইকোর্টে এসে ১৮ লাখ টাকা প্রতারণার শিকার।

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৫৫:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ মে ২০২৩
  • 144

প্রধান বিচারপতি বিচার বিভাগের অভিভাবক। তার নির্দেশে সুপ্রিম কোর্টসহ সারাদেশের আদালত পরিচালিত হয়। সেই প্রধান বিচারপতির এক আত্মীয় হাইকোর্টে এসে প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এক মামলার রায়ের নকল সংগ্রহ করতে আইনজীবীর দুই সহকারীকে এক লাখ ২০ হাজার টাকা দিয়েও পাননি রায়ের অনুলিপি। মামলার খরচ বাবদ আইনজীবীকেও দিতে হয়েছে ১৮ লাখ টাকা। বৃহস্পতিবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী সেই ভোগান্তির কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আইনজীবীর সহকারীরা যদি একটা নকল তুলতে ৮০ হাজার টাকা নিয়ে যান, তারপরও ক্লায়েন্টকে চরকির মতো ঘোরাতে থাকেন, এটা রোধ করবে কে?

মামলার জাজমেন্টের কপি তুলতে নিকট আত্মীয়ের আদালতে হয়রানির কথা তুলে ধরে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘জাজমেন্ট করানোর জন্য ১৮ লাখ টাকা ল’ইয়ার নিয়েছেন। এরপর তার পক্ষে রায় আসলেও ৪০ হাজার টাকা তার ক্লার্ক নিয়েছেন রায়ের নকল তোলার জন্য। পরে নকল ওঠানোর জন্য আরেকজন ক্লার্ককে ধরেছেন। তিনিও আবার ৮০ হাজার টাকা নিয়েছেন। কিন্তু মামলার রায়ের নকল পাননি।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

প্রধান বিচারপতির এক আত্মীয় হাইকোর্টে এসে ১৮ লাখ টাকা প্রতারণার শিকার।

Update Time : ০৭:৫৫:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ মে ২০২৩

প্রধান বিচারপতি বিচার বিভাগের অভিভাবক। তার নির্দেশে সুপ্রিম কোর্টসহ সারাদেশের আদালত পরিচালিত হয়। সেই প্রধান বিচারপতির এক আত্মীয় হাইকোর্টে এসে প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এক মামলার রায়ের নকল সংগ্রহ করতে আইনজীবীর দুই সহকারীকে এক লাখ ২০ হাজার টাকা দিয়েও পাননি রায়ের অনুলিপি। মামলার খরচ বাবদ আইনজীবীকেও দিতে হয়েছে ১৮ লাখ টাকা। বৃহস্পতিবার (১৮ মে) সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী সেই ভোগান্তির কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘আইনজীবীর সহকারীরা যদি একটা নকল তুলতে ৮০ হাজার টাকা নিয়ে যান, তারপরও ক্লায়েন্টকে চরকির মতো ঘোরাতে থাকেন, এটা রোধ করবে কে?

মামলার জাজমেন্টের কপি তুলতে নিকট আত্মীয়ের আদালতে হয়রানির কথা তুলে ধরে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘জাজমেন্ট করানোর জন্য ১৮ লাখ টাকা ল’ইয়ার নিয়েছেন। এরপর তার পক্ষে রায় আসলেও ৪০ হাজার টাকা তার ক্লার্ক নিয়েছেন রায়ের নকল তোলার জন্য। পরে নকল ওঠানোর জন্য আরেকজন ক্লার্ককে ধরেছেন। তিনিও আবার ৮০ হাজার টাকা নিয়েছেন। কিন্তু মামলার রায়ের নকল পাননি।’