ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম ১৪ দিনের রিমান্ডে

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে ১৪ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স। আদালত তাদের এ রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

রোববার (৮ মার্চ) বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স।

পুলিশ জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় খুনের মতো গুরুতর অপরাধ করার পর দুই বাংলাদেশি নাগরিক অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে এবং বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সীমান্ত এলাকায় আত্মগোপন করে আছে। পরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেন ওসমান হাদিকে হত্যা করে পালিয়ে যায়। তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করার পর বাংলাদেশে ফেরার উদ্দেশ্যে বনগাঁও সীমান্ত এলাকায় আসে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনের আগে ঢাকার পল্টন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন শরিফ ওসমান হাদি। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম ১৪ দিনের রিমান্ডে

Update Time : ০৯:২৬:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে ১৪ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স। আদালত তাদের এ রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

রোববার (৮ মার্চ) বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্কফোর্স।

পুলিশ জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় খুনের মতো গুরুতর অপরাধ করার পর দুই বাংলাদেশি নাগরিক অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে এবং বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সীমান্ত এলাকায় আত্মগোপন করে আছে। পরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেন ওসমান হাদিকে হত্যা করে পালিয়ে যায়। তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করার পর বাংলাদেশে ফেরার উদ্দেশ্যে বনগাঁও সীমান্ত এলাকায় আসে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনের আগে ঢাকার পল্টন এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন শরিফ ওসমান হাদি। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।