স্টাফ রিপোর্টার : বিএনপি ছাড়া এতবড় আন্দোলনের ফসল ঘরে আনা দুঃসাধ্য ব্যাপার ছিল। এই গণঅভ্যুত্থানের মাস্টার মাইন্ড তারেক রহমান। দেশ ও বিদেশের প্রথিতযশা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের সাথে ভিডিও লাইভে এমন মন্তব্য করেন ড. নয়ন বাঙালি।
গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর বাংলাদেশ যেন নতুন পরিচয় পেয়েছে। এদিন ছাত্র জনতার আন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকারের অধ্যায় শেষ হয়েছে বলে দাবি করছেন সকলে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই আন্দোলনে বড় ভূমিকা রেখেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও অঙ্গ সংগঠনগুলো। কোটা আন্দোলন কেন্দ্র করে দীর্ঘায়িত করা এ আন্দোলনকে সরকার পতনে পরিণত করা যেন বিএনপি’র পরিকল্পনা ছিল। আন্দোলনের প্রথম ও মধ্যবর্তী সময়ে বিভিন্ন মিডিয়ায় এ বিষয়ে সংবাদ প্রচার হয়।
সূত্রে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সাধারন নাগরিকদের মাঠে নামানোর তৎপরতাও ছিলো অনেক । নয়ন বাঙালী দেশে প্রায় ১০ বছর আগেই গঠন করেছিলেন নাগরিক বাহিনী। যা নাগরিক দল হিসেবে কাজ করেছে । ঢাকায় নাগরিক দলের সমন্বয়ক কামরুল ইসলাম রাজকে ২৬ ই জুলাই ওয়াশিংটন ডিসি থেকে শক্ত বার্তা দেওয়া হয় প্রতি টি থানায় নামার জন্য । এমনকি মিরপুরের ডিওএইচএস এলাকার হাজারো সুশীল মানুষদের নিয়ে মাঠে আসার ঘরোয়া কাজ করেন মহিলা দলের কেন্দ্রীয় নেত্রী বেগম মেহেরুননেসা হক । কানাডা থেকে পরিচালিত নাগরিক টেলিভিশন মোটামুটি ভাবে নেপথ্যে নাগরিক দলের লোকদের নাগরিক আন্দোলন করার কৌশল দেন ও ছাত্র সমাজের সাথে থাকতে বলেন।
ভিডিও বার্তায় জানা যায়, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই গণঅভ্যুত্থানের মূল পরিকল্পনাকারী। সেই সাথে ওয়াশিংটন ডিসি থেকে নেপথ্যে কৌশলী ভূমিকা রাখেন ড. নয়ন বাঙালি সহ বেশ কয়েকজন। এ বিষয়ে নয়ন বলেন, আন্দোলনের মধ্যবর্তী সময়ে সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সঙ্গে কোটা আন্দোলনকারীদের আলোচনার মাধ্যমে আন্দোলন সমাপ্তির উপক্রম হয়। ঠিক তখনই লন্ডন থেকে আমাদের নিকট বার্তা আসে, “প্রবাসে থেকে কিছু করা যায় কিনা ?” পরবর্তীতে “লাল দাগ ও রেমিটেন্স” বিষয়ক নির্দেশনা দেওয়া হয়। নির্দেশনা অনুযায়ী ক্যাপিটাল হিলস এবং হোয়াইট হাউস এর সামনে দাঁড়িয়ে প্রবাসীরা বাংলাদেশে রেমিটেন্স পাঠানো বন্ধ করার বিষয়ে শপথ গ্রহণ করে।
উল্লেখ্য, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক পর্যায়ে আন্দোলনকারীদের সকল দাবি মানতে রাজি হয়। তারপরেও এক দফা -এক দাবির স্লোগানে শেখ হাসিনার পদত্যাগ দাবি জানানো হয়।
তবে আন্দোলন সফলকাম করার শেষ পর্যন্ত ঢাকার বিভিন্ন থানা এলাকায় ছাত্রদল ও মহিলা দলের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে গন অধিকার পরিষদের যুগ্ন আহ্বায়ক মোঃ তারেক রহমান অনলাইন লাইভ অনুষ্ঠানে বলেন, আন্দোলনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকল কর্মকাণ্ডই লন্ডন থেকে প্রাপ্ত খুদেবার্তা তথা নির্দেশনা অনুযায়ী করা হয়েছে। কখনো ছাত্রদল এবং কখনো মহিলা দলকে সাথে নিয়ে ঢাকার মোহাম্মদপুর,গুলশান, বনানী ও বারিধারা সহ সকল থানা এলাকায় আন্দোলন সম্পর্কিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া তিনি আরো বলেন, আন্দোলন চলাকালীন সময়ে আমি লন্ডনে যোগাযোগ করায়, আমাকে ডি জি এফ আই তুলে নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে এ আন্দোলন বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। সরকার পতন শুধুমাত্র কোটার দাবি থেকে হয়নি, এটা হয়েছে ভোটাধিকারের ক্ষুদা থেকে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম রাজ বলেন, ছাত্র জনতার মাধ্যমে ঐতিহাসিক এই গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। তবে এই গণঅভ্যুত্থানের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন তারেক রহমান।
ব্রেকিং :
গণঅ*ভ্যুত্থা*নের মাস্টা*রমা*ইন্ড তারেক রহমান- ড. নয়ন বাঙালি
-
Reporter Name - Update Time : ০৪:১৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪
- 375
Tag :
তারেক-জোবায়দার বিরুদ্ধে তিন ব্যাংক কর্মকর্তার সাক্ষ্য রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় খালাস পেলেন তারেক রহমান
জনপ্রিয়

















