জ্বর হলে সঙ্গে সঙ্গে ডেঙ্গু পরীক্ষা করুন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:৩২:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫
  • 183

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেরিতে চিকিৎসা নেওয়ার কারণে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তদের মৃত্যুহার বাড়ছে। আজ একদিনেই ৯ জন ডেঙ্গু রোগী মারা গেছেন, যার মধ্যে ৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার দিনই প্রাণ হারিয়েছেন।

হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. মঈনুল আহসান জানিয়েছেন, বেশিরভাগ মৃত্যুর কারণ হলো হাসপাতালে আসতে দেরি করা। তিনি বলেন, জ্বর শুরু হওয়া মাত্রই কাছের হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ডেঙ্গু পরীক্ষা করানো উচিত এবং পরীক্ষা ধরা পড়লে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করতে হবে।

দেশের সব হাসপাতালে পর্যাপ্ত ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট, স্যালাইন ও ওষুধ মজুত রয়েছে। তবে মৃত্যুহার কমানোর জন্য রোগ শনাক্তকরণ, গাইডলাইন অনুযায়ী চিকিৎসা এবং কার্যকর মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গুর গুরুতর পর্যায় সাধারণত জ্বরের ৩-৫ দিনের মধ্যে শুরু হয়। তাই এই সময়ের মধ্যে রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু করাই রোগীর জীবন বাঁচানোর মূল চাবিকাঠি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নাগরিক, স্থানীয় প্রশাসন ও সিটি কর্পোরেশনগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদার করতে এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে একযোগে কাজ করতে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Din Mohammad

জনপ্রিয়

নির্মাতা মুকুল নেত্রবাদীর ‘দুধমা’য় নবাগতা চিত্রনায়িকা সিনথিয়ার অভিষেক

জ্বর হলে সঙ্গে সঙ্গে ডেঙ্গু পরীক্ষা করুন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

Update Time : ১১:৩২:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেরিতে চিকিৎসা নেওয়ার কারণে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তদের মৃত্যুহার বাড়ছে। আজ একদিনেই ৯ জন ডেঙ্গু রোগী মারা গেছেন, যার মধ্যে ৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার দিনই প্রাণ হারিয়েছেন।

হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. মঈনুল আহসান জানিয়েছেন, বেশিরভাগ মৃত্যুর কারণ হলো হাসপাতালে আসতে দেরি করা। তিনি বলেন, জ্বর শুরু হওয়া মাত্রই কাছের হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ডেঙ্গু পরীক্ষা করানো উচিত এবং পরীক্ষা ধরা পড়লে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করতে হবে।

দেশের সব হাসপাতালে পর্যাপ্ত ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট, স্যালাইন ও ওষুধ মজুত রয়েছে। তবে মৃত্যুহার কমানোর জন্য রোগ শনাক্তকরণ, গাইডলাইন অনুযায়ী চিকিৎসা এবং কার্যকর মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গুর গুরুতর পর্যায় সাধারণত জ্বরের ৩-৫ দিনের মধ্যে শুরু হয়। তাই এই সময়ের মধ্যে রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু করাই রোগীর জীবন বাঁচানোর মূল চাবিকাঠি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নাগরিক, স্থানীয় প্রশাসন ও সিটি কর্পোরেশনগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদার করতে এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে একযোগে কাজ করতে।