স্থলভাগের তেল-গ্যাসের খনির মজুত ফুরিয়ে আসছে, সতর্কবার্তা জাতিসংঘের

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৭:৩৫:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 194

বিশ্বের স্থলভাগে এ পর্যন্ত যতগুলো উত্তোলনযোগ্য গ্যাস ও তেলের খনির সন্ধান পাওয়া গেছে, সেগুলোর মজুত দ্রুত হারে কমছে। জাতিসংঘের জ্বালানি সম্পদ পর্যবেক্ষণ বিষয়ক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অ্যানার্জি এজেন্সি (আইইএ) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে এ তথ্য।

আইএএ’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে বিশ্বের স্থলভাগে ১৫ হাজার জ্বালানি তেল ও গ্যাসের খনি আছে। বছরের পর বছর ধরে এসব খনি থেকে সম্পদ উত্তোলনের ফলে ৯০ ভাগ খনির মজুত দ্রুত হারে কমছে। অদূর ভবিষ্যতে এসব মজুত পুরোপুরি শেষ হয়ে যাবে।

মজুত কমে যাওয়ার কারণে বর্তমানে বিশ্বে প্রতিদিন গড়ে ৫৫ লাখ ব্যারেল জ্বালানি তেল এবং ১৮ হাজার কোটি থেকে ২৭ হাজার কোটি কিউবিক মিটার গ্যাস কম উত্তোলন হচ্ছে।

আইএ’র নির্বাহী পরিচালক ফাতিহ বিরোল বলেন, “বিশ্ব এখনও অনেকাংশে তেল ও গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল। যদি মজুত এভাবে ফুরিয়ে যেতে থাকে, তাহলে শিগগিরই জ্বালানির বাজারে অস্থিরতা দেখা দেবে। কারণ সমুদ্রের তলদেশে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল। আর নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনেও বিশ্ব কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি।”

তিনি আরও বলেন, “এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য বিনিয়োগ জরুরি। কোম্পানিগুলো যদি স্থলভাগে নতুন খনি অনুসন্ধানে বিনিয়োগ না বাড়ায়, তাহলে আসন্ন সংকট এড়ানো কঠিন হবে।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

স্থলভাগের তেল-গ্যাসের খনির মজুত ফুরিয়ে আসছে, সতর্কবার্তা জাতিসংঘের

Update Time : ০৭:৩৫:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিশ্বের স্থলভাগে এ পর্যন্ত যতগুলো উত্তোলনযোগ্য গ্যাস ও তেলের খনির সন্ধান পাওয়া গেছে, সেগুলোর মজুত দ্রুত হারে কমছে। জাতিসংঘের জ্বালানি সম্পদ পর্যবেক্ষণ বিষয়ক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অ্যানার্জি এজেন্সি (আইইএ) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে এ তথ্য।

আইএএ’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে বিশ্বের স্থলভাগে ১৫ হাজার জ্বালানি তেল ও গ্যাসের খনি আছে। বছরের পর বছর ধরে এসব খনি থেকে সম্পদ উত্তোলনের ফলে ৯০ ভাগ খনির মজুত দ্রুত হারে কমছে। অদূর ভবিষ্যতে এসব মজুত পুরোপুরি শেষ হয়ে যাবে।

মজুত কমে যাওয়ার কারণে বর্তমানে বিশ্বে প্রতিদিন গড়ে ৫৫ লাখ ব্যারেল জ্বালানি তেল এবং ১৮ হাজার কোটি থেকে ২৭ হাজার কোটি কিউবিক মিটার গ্যাস কম উত্তোলন হচ্ছে।

আইএ’র নির্বাহী পরিচালক ফাতিহ বিরোল বলেন, “বিশ্ব এখনও অনেকাংশে তেল ও গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল। যদি মজুত এভাবে ফুরিয়ে যেতে থাকে, তাহলে শিগগিরই জ্বালানির বাজারে অস্থিরতা দেখা দেবে। কারণ সমুদ্রের তলদেশে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল। আর নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনেও বিশ্ব কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি।”

তিনি আরও বলেন, “এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য বিনিয়োগ জরুরি। কোম্পানিগুলো যদি স্থলভাগে নতুন খনি অনুসন্ধানে বিনিয়োগ না বাড়ায়, তাহলে আসন্ন সংকট এড়ানো কঠিন হবে।”