Dhaka ১২:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কয়রার মহারাজপুরকে মডেল ইউনিয়ন হিসাবে গড়ে তুলতে চান শরিফুল আলম

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:০৩:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
  • 2

কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধিঃ- স্থানীয় সরকার নির্বাচনে খুলনার কয়রা উপজেলার জনগুরত্বপূর্ণ ৪নং মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপির একক মনোনিত প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দিদ্বতা করতে চান ক্লিন ইমেজের নেতা শরিফুল আলম।
মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মৃতিবিজড়িত কপোতাক্ষ নদের পার্শবর্তী আটরা গ্রামে সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া শরিফুল আলম মনে করেন, ইউনিয়নের মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে এখনো আশানুরূপ কাজ হয়নি। যে কারনে তিনি এলাকাবাসীর অনুরোধে এবং মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করে একটি উন্নত ও সুশৃঙ্খল মহারাজপুর ইউনিয়ন গড়ে তুলতে চেয়ারম্যান প্রার্থী হচ্ছেন।

কয়রা উপজেলার মধ্যে মহারাজপুর একটি গুরত্বপূর্ণ ইউনিয়ন। উপজেলার সমস্ত রাজনৈতিক দলের নেতাদের বাড়ি ঐ ইউনিয়নে। এই ইউনিয়ন থেকে সমস্ত আন্দোলন সংগ্রাম শুরু হয়। যে কারনে মহারাজপুর ইউনিয়নকে রাজনৈতিক সুতীকাগার বলা হয়ে থাকে। অতীতে যারা মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন তারা আশানারুপ উন্নয়ন করতে পারেনি। সে জন্য আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইউনিয়নবাসী শিক্ষিত ও মার্জিত জনবান্ধব নেতা শরিফুল আলমকে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে চান। জনসাধারনের চাওয়া-পাওয়াকে গুরত্ব দিয়ে শরিফুল আলম ইতিমধ্যে ইউনিয়ানের ৯ টি ওয়ার্ডে গনসংযোগ অব্যহত রেখেছেন। দলের কর্মসুচীর পাশা-পাশি বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করছেন। সাধারন ভোটাররা মনে করেন, শরিফুল আলম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে উন্নয়নের জন্য অগ্রণী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন। ইউনিয়নের সাধারন ভোটারা মনে করেন, ক্লিন ও পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি শরিফুল আলম ছাত্র রাজনীতি থেকে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। সে জন্য দল যদি তাকে একক প্রার্থী মনোনীত করে তাহলে তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন। আর নির্বাচিত হলেই ইউনিয়নে রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যখাতসহ বহুমুখী উন্নয়ন বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। সততা, ন্যায়নীতির প্রতীক হিসাবে মহারাজপুর ইউনিয়নটিকে একটি মডেল ইউনিয়নে রূপ দিতে তিনি কাজ করবেন বলে তারা মনে করেন। ছাত্র ও যুব রাজনীতির আইকন শরিফুল আলম ১৯৯৪ সালে সালে কপোতক্ষ মহাবিদ্যালয় ছাত্রদলের সদস্য, ১৯৯৮ সালে কয়রা উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক, ২০০৩ সালে কয়রা উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং ২০১১ সালে কয়রা উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক নির্বাচিত হন। ২০২২ সালে কয়রা উপজেলা যুবদলের আহবায়ক নিবাচিত হয়ে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২৩ সালে কয়রা উপজেলা বিএরপির যুগ্ম আহবায়ক নির্বাচিত হন। বর্তমানে উপকূল বার্তা পত্রিকার সম্পাদক এবং কয়রা উপজেলা প্রেসকাবের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে বহুবার মামলা হামলার শিকার হয়েছেন। ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনসহ প্রতিটি গনতান্ত্রিক আন্দোলনে সম্মুখ সারির যোদ্ধা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মিথ্যা মামলার শিকার হয়ে বারবার কারাবরণ করেন। শরিফুল আলম বলেন, দল ও জনগণের জন্য যে ত্যাগ করেছেন তা দলীয় হাইকমান্ড অবশ্যই মূল্যায়ন করবেন। তিনি বলেন, প্রতিটি গনতান্ত্রিক আন্দোলন এবং দলের কর্মসুচি সততা, শৃঙ্খলার সাথে দায়িত্ব পালন করেছি। তাই মহারাজপুর ইউনিয়নের মানুষের কাছে তিনি নিজেকে গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে দেখছেন। তিনি দলীয় মনোনয়নে একক প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। সে জন্য তিনি দলের উচ্চপর্যায়ের নেতাদের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন। এবং আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মহারাজপুর ইউনিয়নের মানুষের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন, যাতে দলের মনোনয়ন পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন হিসাবে গড়ে তুলতে চান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

কয়রার মহারাজপুরকে মডেল ইউনিয়ন হিসাবে গড়ে তুলতে চান শরিফুল আলম

কয়রার মহারাজপুরকে মডেল ইউনিয়ন হিসাবে গড়ে তুলতে চান শরিফুল আলম

Update Time : ১২:০৩:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধিঃ- স্থানীয় সরকার নির্বাচনে খুলনার কয়রা উপজেলার জনগুরত্বপূর্ণ ৪নং মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপির একক মনোনিত প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দিদ্বতা করতে চান ক্লিন ইমেজের নেতা শরিফুল আলম।
মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মৃতিবিজড়িত কপোতাক্ষ নদের পার্শবর্তী আটরা গ্রামে সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া শরিফুল আলম মনে করেন, ইউনিয়নের মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে এখনো আশানুরূপ কাজ হয়নি। যে কারনে তিনি এলাকাবাসীর অনুরোধে এবং মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করে একটি উন্নত ও সুশৃঙ্খল মহারাজপুর ইউনিয়ন গড়ে তুলতে চেয়ারম্যান প্রার্থী হচ্ছেন।

কয়রা উপজেলার মধ্যে মহারাজপুর একটি গুরত্বপূর্ণ ইউনিয়ন। উপজেলার সমস্ত রাজনৈতিক দলের নেতাদের বাড়ি ঐ ইউনিয়নে। এই ইউনিয়ন থেকে সমস্ত আন্দোলন সংগ্রাম শুরু হয়। যে কারনে মহারাজপুর ইউনিয়নকে রাজনৈতিক সুতীকাগার বলা হয়ে থাকে। অতীতে যারা মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন তারা আশানারুপ উন্নয়ন করতে পারেনি। সে জন্য আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইউনিয়নবাসী শিক্ষিত ও মার্জিত জনবান্ধব নেতা শরিফুল আলমকে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে চান। জনসাধারনের চাওয়া-পাওয়াকে গুরত্ব দিয়ে শরিফুল আলম ইতিমধ্যে ইউনিয়ানের ৯ টি ওয়ার্ডে গনসংযোগ অব্যহত রেখেছেন। দলের কর্মসুচীর পাশা-পাশি বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করছেন। সাধারন ভোটাররা মনে করেন, শরিফুল আলম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে উন্নয়নের জন্য অগ্রণী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন। ইউনিয়নের সাধারন ভোটারা মনে করেন, ক্লিন ও পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি শরিফুল আলম ছাত্র রাজনীতি থেকে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। সে জন্য দল যদি তাকে একক প্রার্থী মনোনীত করে তাহলে তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন। আর নির্বাচিত হলেই ইউনিয়নে রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যখাতসহ বহুমুখী উন্নয়ন বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। সততা, ন্যায়নীতির প্রতীক হিসাবে মহারাজপুর ইউনিয়নটিকে একটি মডেল ইউনিয়নে রূপ দিতে তিনি কাজ করবেন বলে তারা মনে করেন। ছাত্র ও যুব রাজনীতির আইকন শরিফুল আলম ১৯৯৪ সালে সালে কপোতক্ষ মহাবিদ্যালয় ছাত্রদলের সদস্য, ১৯৯৮ সালে কয়রা উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক, ২০০৩ সালে কয়রা উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং ২০১১ সালে কয়রা উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক নির্বাচিত হন। ২০২২ সালে কয়রা উপজেলা যুবদলের আহবায়ক নিবাচিত হয়ে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২৩ সালে কয়রা উপজেলা বিএরপির যুগ্ম আহবায়ক নির্বাচিত হন। বর্তমানে উপকূল বার্তা পত্রিকার সম্পাদক এবং কয়রা উপজেলা প্রেসকাবের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে বহুবার মামলা হামলার শিকার হয়েছেন। ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনসহ প্রতিটি গনতান্ত্রিক আন্দোলনে সম্মুখ সারির যোদ্ধা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মিথ্যা মামলার শিকার হয়ে বারবার কারাবরণ করেন। শরিফুল আলম বলেন, দল ও জনগণের জন্য যে ত্যাগ করেছেন তা দলীয় হাইকমান্ড অবশ্যই মূল্যায়ন করবেন। তিনি বলেন, প্রতিটি গনতান্ত্রিক আন্দোলন এবং দলের কর্মসুচি সততা, শৃঙ্খলার সাথে দায়িত্ব পালন করেছি। তাই মহারাজপুর ইউনিয়নের মানুষের কাছে তিনি নিজেকে গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে দেখছেন। তিনি দলীয় মনোনয়নে একক প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। সে জন্য তিনি দলের উচ্চপর্যায়ের নেতাদের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন। এবং আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মহারাজপুর ইউনিয়নের মানুষের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন, যাতে দলের মনোনয়ন পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে ইউনিয়নকে মডেল ইউনিয়ন হিসাবে গড়ে তুলতে চান।