কারা থাকছেন জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে?

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:০৭:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • 160

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং প্রভাবশালী নেতাদের মধ্যে কয়েকজন জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে নয়াদিল্লিতে জড়ো হয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকসহ অনেক দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, অর্থনৈতিক মন্দা এবং খাদ্য ও জ্বালানির আকাশছোঁয়া দাম নিয়ে আলোচনা করবেন।
যারা উপস্থিত থাকছেন:
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন শুক্রবার নিশ্চিত করেছেন, তিনি নয়াদিল্লি যাচ্ছেন এবং জি-২০ সম্মেলনে যোগ দেবেন। ইউক্রেনের যুদ্ধের সামাজিক প্রভাব, জলবায়ু পরিবর্তন ও দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য বহুপাক্ষিক ব্যাংকগুলোর ক্ষমতা বাড়ানো নিয়ে আলোচনা করতে চান তিনি।
ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ভারতে প্রথম সরকারি সফরে শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন ঋষি সুনক।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদাও তার উপস্থিতি নিশ্চিত করেছেন। জি-৭ এর বর্তমান সভাপতি হিসেবে ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য রাশিয়ার বিরুদ্ধে সমালোচনার নেতৃত্ব দিতে পারেন তিনি।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এখন ইন্দোনেশিয়ায় আছেন। তবে জি-২০ সম্মেলনের জন্য ৯ এবং ১০ সেপ্টেম্বর ভারতে থাকবেন তিনি।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তিনি দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ ভারত, ইন্দোনেশিয়া এবং ফিলিপাইনসহ তিন দেশের সফরের অংশ হিসেবে শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন।
জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎসও নয়াদিল্লিতে থাকবেন। তিনি বলেছেন, রাশিয়া ও চীনের অনুপস্থিতি সত্ত্বেও শীর্ষ সম্মেলনটি গুরুত্বপূর্ণ।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল সম্ভবত শীর্ষ সম্মেলনে নেতাদের উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক হুমকি এবং ক্ষেপণাস্ত্রের উস্কানির জবাব দিতে আহ্বান জানাবেন।
এ ছাড়া আরও উপস্থিত থাকবেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান।
যারা অনুপস্থিত থাকবেন:
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং শীর্ষ সম্মেলনে থাকছেন না। তার অনুপস্থিতিতে চীনা প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং দেশটির প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন। ২০০৮ সালে প্রথম সংস্করণ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর এই প্রথম কোনও চীনা প্রেসিডেন্ট জি-২০ নেতাদের শীর্ষ সম্মেলনে অনুপস্থিত থাকছেন।
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও এ বছর শীর্ষ সম্মেলনে অনুপস্থিত থাকছেন। ইউক্রেনে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে পুতিনের বিরুদ্ধে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টের (আইসিসি) গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি থাকায় তিনি ভারত আসেননি। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ নয়াদিল্লিতে দেশটির প্রতিনিধিত্ব করবেন।
করোনার কারণে স্পেনের প্রেসিডেন্ট পেদ্রো সানচেজ জি-২০ সম্মেলনে যোগ দিতে পারবেন না।
এ ছাড়া মেক্সিকো প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেস ম্যানুয়েল লোপেজও এতে অংশ নিচ্ছেন না। তিনি অবশ্য কোনও কারণ জানাননি।
সদস্য নয় এমন আরও ৯টি দেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, নেদারল্যান্ডস, নাইজেরিয়া, মিসর, মরিশাস, ওমান, সিঙ্গাপুর, স্পেন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের নেতাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

কারা থাকছেন জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে?

Update Time : ০৪:০৭:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং প্রভাবশালী নেতাদের মধ্যে কয়েকজন জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে নয়াদিল্লিতে জড়ো হয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকসহ অনেক দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, অর্থনৈতিক মন্দা এবং খাদ্য ও জ্বালানির আকাশছোঁয়া দাম নিয়ে আলোচনা করবেন।
যারা উপস্থিত থাকছেন:
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন শুক্রবার নিশ্চিত করেছেন, তিনি নয়াদিল্লি যাচ্ছেন এবং জি-২০ সম্মেলনে যোগ দেবেন। ইউক্রেনের যুদ্ধের সামাজিক প্রভাব, জলবায়ু পরিবর্তন ও দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য বহুপাক্ষিক ব্যাংকগুলোর ক্ষমতা বাড়ানো নিয়ে আলোচনা করতে চান তিনি।
ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ভারতে প্রথম সরকারি সফরে শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন ঋষি সুনক।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদাও তার উপস্থিতি নিশ্চিত করেছেন। জি-৭ এর বর্তমান সভাপতি হিসেবে ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য রাশিয়ার বিরুদ্ধে সমালোচনার নেতৃত্ব দিতে পারেন তিনি।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এখন ইন্দোনেশিয়ায় আছেন। তবে জি-২০ সম্মেলনের জন্য ৯ এবং ১০ সেপ্টেম্বর ভারতে থাকবেন তিনি।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তিনি দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ ভারত, ইন্দোনেশিয়া এবং ফিলিপাইনসহ তিন দেশের সফরের অংশ হিসেবে শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন।
জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎসও নয়াদিল্লিতে থাকবেন। তিনি বলেছেন, রাশিয়া ও চীনের অনুপস্থিতি সত্ত্বেও শীর্ষ সম্মেলনটি গুরুত্বপূর্ণ।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল সম্ভবত শীর্ষ সম্মেলনে নেতাদের উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক হুমকি এবং ক্ষেপণাস্ত্রের উস্কানির জবাব দিতে আহ্বান জানাবেন।
এ ছাড়া আরও উপস্থিত থাকবেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান।
যারা অনুপস্থিত থাকবেন:
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং শীর্ষ সম্মেলনে থাকছেন না। তার অনুপস্থিতিতে চীনা প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং দেশটির প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন। ২০০৮ সালে প্রথম সংস্করণ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর এই প্রথম কোনও চীনা প্রেসিডেন্ট জি-২০ নেতাদের শীর্ষ সম্মেলনে অনুপস্থিত থাকছেন।
রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও এ বছর শীর্ষ সম্মেলনে অনুপস্থিত থাকছেন। ইউক্রেনে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে পুতিনের বিরুদ্ধে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টের (আইসিসি) গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি থাকায় তিনি ভারত আসেননি। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ নয়াদিল্লিতে দেশটির প্রতিনিধিত্ব করবেন।
করোনার কারণে স্পেনের প্রেসিডেন্ট পেদ্রো সানচেজ জি-২০ সম্মেলনে যোগ দিতে পারবেন না।
এ ছাড়া মেক্সিকো প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেস ম্যানুয়েল লোপেজও এতে অংশ নিচ্ছেন না। তিনি অবশ্য কোনও কারণ জানাননি।
সদস্য নয় এমন আরও ৯টি দেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, নেদারল্যান্ডস, নাইজেরিয়া, মিসর, মরিশাস, ওমান, সিঙ্গাপুর, স্পেন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের নেতাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত।