Dhaka ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চলাচলের রাস্তায় লোহার গেটের বেড়া : ভোগান্তিতে ২৫ পরিবার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৩০:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুন ২০২৪
  • 212


স্টাফ রিপোর্টার: নগরীরর সদর থানাধীন পূর্ববানিয়া খামার এলাকায় চলাচলের রাস্তায় লোহার গেটের বেড়া দেওয়াতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে ২৫টি পরিবারের প্রায় শতাধিক সদস্য। মাত্র দশ ফুটের রাস্তায় ৬ ফুট আটকে দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা খন্দকার মোজাহারুল হক। বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগী ব্যাংক কর্মকর্তা এ কে এম অরিদুল হক খুলনা জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, আমি ২০০৮ সালে ৩ নং বানিয়াখামার মৌজা আর এস খাতিয়ানের ১৪৯৩৮ ভুক্ত ২৬৭৩৮ নং দাগে ৫ শতাংশ জমি ক্রয় করি। পাশাপাশি চলাচলের রাস্তার জন্য ক্রয়কৃত দলিলে উল্লেখযোগ্য ম্যাপ

ও চৌহর্দি থাকায় আমি উক্ত জায়গাটিতে ৪র্থ তলা বাড়ী নির্মাণ করে গত ১৬ বছর যাবৎ বসবাস করছি। এর মধ্যে গত ২ জুন (রবিবার) কাউকে কিছু না জানিয়ে আমাদের রাস্তায় চলাচলের প্রবেশ মুখে লোহার তৈরি গ্রিল ও পিলার দিয়ে বেড়া তৈরি করে দেয় স্থানীয় বাসিন্দা খন্দকার মোজাহারুল হক। তবে আমি বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে সে বলে “আমি কাউকে কোন কৈফিয়ত দিতে রাজি নই। ” আমি ও আশেপাশে পরিবারের অন্যান সদস্যরা খুবই বিপাকে আছি। আমি বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় থানা ও জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। এছাড়া আমি খুবই নিরাপত্তাহীনতায় আছি। এ বিষয়ে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র ও ২৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এ,এস,এম রফিউদ্দিন বলেন, আমি ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত আছি। এভাবে কারো চলাচলের রাস্তার উপর বেড়া দেয়া সঠিক কাজ মনে হয়না। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় থানায় বসা হয়েছে। আমার কাছে আসলে আমি বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নিব। এ বিষয়ে অভিযুক্ত খন্দাকার মোজাহারুল হক বলেন, আমার জায়গায় আমি বেড়া দিয়েছি। তাদের কাছে যদি কোন কাগজ থাকে তাহলে দেখাতে বলেন। তারা থানা পুলিশের কাছেও কোন কাগজ দেখাতে পারেনি। তবে স্থানীয়ভাবে মিমাংসা করা যেতে পারত। তারা এসব না করে বিভিন্ন জায়গায় আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে। এ বিষয়ে খুলনা জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসীর আরেফীন বলেন, কারোর চলাচলের রাস্তা বন্ধ করা উচিত না। এটা খুবই অন্যায়। আমি অভিযোগটি দেখছি। তদন্ত করে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নিব।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

চলাচলের রাস্তায় লোহার গেটের বেড়া : ভোগান্তিতে ২৫ পরিবার

Update Time : ০৯:৩০:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুন ২০২৪


স্টাফ রিপোর্টার: নগরীরর সদর থানাধীন পূর্ববানিয়া খামার এলাকায় চলাচলের রাস্তায় লোহার গেটের বেড়া দেওয়াতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে ২৫টি পরিবারের প্রায় শতাধিক সদস্য। মাত্র দশ ফুটের রাস্তায় ৬ ফুট আটকে দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা খন্দকার মোজাহারুল হক। বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগী ব্যাংক কর্মকর্তা এ কে এম অরিদুল হক খুলনা জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, আমি ২০০৮ সালে ৩ নং বানিয়াখামার মৌজা আর এস খাতিয়ানের ১৪৯৩৮ ভুক্ত ২৬৭৩৮ নং দাগে ৫ শতাংশ জমি ক্রয় করি। পাশাপাশি চলাচলের রাস্তার জন্য ক্রয়কৃত দলিলে উল্লেখযোগ্য ম্যাপ

ও চৌহর্দি থাকায় আমি উক্ত জায়গাটিতে ৪র্থ তলা বাড়ী নির্মাণ করে গত ১৬ বছর যাবৎ বসবাস করছি। এর মধ্যে গত ২ জুন (রবিবার) কাউকে কিছু না জানিয়ে আমাদের রাস্তায় চলাচলের প্রবেশ মুখে লোহার তৈরি গ্রিল ও পিলার দিয়ে বেড়া তৈরি করে দেয় স্থানীয় বাসিন্দা খন্দকার মোজাহারুল হক। তবে আমি বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে সে বলে “আমি কাউকে কোন কৈফিয়ত দিতে রাজি নই। ” আমি ও আশেপাশে পরিবারের অন্যান সদস্যরা খুবই বিপাকে আছি। আমি বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় থানা ও জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। এছাড়া আমি খুবই নিরাপত্তাহীনতায় আছি। এ বিষয়ে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র ও ২৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এ,এস,এম রফিউদ্দিন বলেন, আমি ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত আছি। এভাবে কারো চলাচলের রাস্তার উপর বেড়া দেয়া সঠিক কাজ মনে হয়না। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় থানায় বসা হয়েছে। আমার কাছে আসলে আমি বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নিব। এ বিষয়ে অভিযুক্ত খন্দাকার মোজাহারুল হক বলেন, আমার জায়গায় আমি বেড়া দিয়েছি। তাদের কাছে যদি কোন কাগজ থাকে তাহলে দেখাতে বলেন। তারা থানা পুলিশের কাছেও কোন কাগজ দেখাতে পারেনি। তবে স্থানীয়ভাবে মিমাংসা করা যেতে পারত। তারা এসব না করে বিভিন্ন জায়গায় আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে। এ বিষয়ে খুলনা জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসীর আরেফীন বলেন, কারোর চলাচলের রাস্তা বন্ধ করা উচিত না। এটা খুবই অন্যায়। আমি অভিযোগটি দেখছি। তদন্ত করে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নিব।