প্রেসিডেন্ট নির্বাচন: জনপ্রিয়তায় বাইডেনকে পেছনে ফেললেন ট্রাম্প

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৪৭:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • 324

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
জনপ্রিয়তার দৌড়ে জো বাইডেনকে পেছনে ফেললেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে সিবিএস নিউজের সাম্প্রতিক এক জরিপে উঠে এসেছে এ তথ্য। জরিপে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আপনি কাকে ভোট দেবেন? এতে ৫০ শতাংশ অংশগ্রহণকারী ট্রাম্পের নাম বলেছেন, আর বাইডেনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ৪৯ শতাংশ ভোটার।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন নেতার উদ্বেগ বাড়িয়ে দিতে পারে জরিপের আরও কিছু তথ্য। যেমন- পরবর্তী নির্বাচনে জিতলেও বাইডেন পূর্ণ মেয়াদ শেষ করতে পারবেন, এটি খুব কম মানুষই বিশ্বাস করেন। তার তুলনায় এদিক থেকেও এগিয়ে ট্রাম্প।
জরিপে দেখা গেছে, ৫৫ শতাংশ ভোটারের ধারণা, ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদ পূর্ণ করতে পারবেন। বাইডেনের ক্ষেত্রে এর হার ৩৪ শতাংশ। ৪৪ শতাংশ ভোটার মনে করেন, বাইডেন দ্বিতীয় মেয়াদ পূর্ণ করতে পারবেন না। ট্রাম্পকে নিয়ে এমন সন্দেহ রয়েছে মোটে ১৬ শতাংশ মানুষের।
যদিও দুই নেতার বয়সের পার্থক্য মোটে দুই বছর, তবে তাদের বয়স বড় প্রভাব ফেলতে পারে নির্বাচনের ফলাফলে। যেমন- ৪৩ শতাংশ অংশগ্রহণকারী মনে করেন, প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় শারীরিক সুস্থতা রয়েছে কেবল ট্রাম্পের। বাইডেনের ক্ষেত্রে এর হার মাত্র ১৬ শতাংশ। ১২ শতাংশ ভোটার মনে করেন তারা উভয়েই যোগ্য, আর ২৯ শতাংশ মনে করেন তাদের কেউই পুরোপুরি সামর্থ্যবান নন।
দুই নেতার মানসিক সুস্থতা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে অনেকের। জরিপের ৪৪ শতাংশ অংশগ্রহণকারী মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হওয়ার মতো মানসিক সুস্থতা রয়েছে কেবল ট্রাম্পের। বাইডেনের এমন সমর্থক রয়েছেন ২৬ শতাংশ। সাত শতাংশ ভোটার মনে করেন, তারা উভয়েই যোগ্য। আর ২৩ শতাংশ ভোটার মনে করেন, তারা কারোরই পর্যাপ্ত মানসিক সুস্থতা নেই।
প্রেসিডেন্টের কী কী যোগ্যতা থাকা দরকার?
জরিপে প্রশ্ন করা হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রে কেমন প্রেসিডেন্ট দরকার? জবাবে ৬৭ শতাংশ বলেছেন কঠোর, যত্নবান বলেছেন ৬৬ শতাংশ, সোজাসাপটা হওয়ার কথা বলেছেন ৬২ শতাংশ, শান্ত চরিত্রের কথা বলেছেন ৬১ শতাংশ এবং ৫৮ শতাংশ বলেছেন কর্মচঞ্চল হওয়ার কথা।
জরিপে বাইডেনকে শান্ত, অনুমানযোগ্য, সহনশীল এবং যত্নশীল হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। আর ট্রাম্পকে বর্ণনা করা হয়েছে উসকানিমূলক, কঠোর, উদ্যোমী, সোজাসাপটা এবং বিনোদনমূলক হিসেবে।
ট্রাম্পকে যারা ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন, তাদের কাছে প্রশ্ন করা হয়েছিল, এর কারণ কী? জবাবে ৯৭ শতাংশ ভোটার বলেছেন, ট্রাম্পের আমলে পরিস্থিতি তুলনামূলক ভালো ছিল। বাইডেন ফের ক্ষমতায় আসলে পরিস্থিতি কী হবে তা নিয়ে উদ্বেগের কারণ দেখিয়েছেন ৮১ শতাংশ ভোটার। ৭৫ শতাংশ ভোটার বলেছেন, তার ব্যক্তিগতভাব বাইডেনকে পছন্দ করেন না এবং ৫৪ শতাংশ বলেছেন, ট্রাম্পকে তাদের ব্যক্তিগতভাবে ভালো লাগে।

 

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

প্রেসিডেন্ট নির্বাচন: জনপ্রিয়তায় বাইডেনকে পেছনে ফেললেন ট্রাম্প

Update Time : ০২:৪৭:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
জনপ্রিয়তার দৌড়ে জো বাইডেনকে পেছনে ফেললেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন সামনে রেখে সিবিএস নিউজের সাম্প্রতিক এক জরিপে উঠে এসেছে এ তথ্য। জরিপে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আপনি কাকে ভোট দেবেন? এতে ৫০ শতাংশ অংশগ্রহণকারী ট্রাম্পের নাম বলেছেন, আর বাইডেনের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ৪৯ শতাংশ ভোটার।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন নেতার উদ্বেগ বাড়িয়ে দিতে পারে জরিপের আরও কিছু তথ্য। যেমন- পরবর্তী নির্বাচনে জিতলেও বাইডেন পূর্ণ মেয়াদ শেষ করতে পারবেন, এটি খুব কম মানুষই বিশ্বাস করেন। তার তুলনায় এদিক থেকেও এগিয়ে ট্রাম্প।
জরিপে দেখা গেছে, ৫৫ শতাংশ ভোটারের ধারণা, ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদ পূর্ণ করতে পারবেন। বাইডেনের ক্ষেত্রে এর হার ৩৪ শতাংশ। ৪৪ শতাংশ ভোটার মনে করেন, বাইডেন দ্বিতীয় মেয়াদ পূর্ণ করতে পারবেন না। ট্রাম্পকে নিয়ে এমন সন্দেহ রয়েছে মোটে ১৬ শতাংশ মানুষের।
যদিও দুই নেতার বয়সের পার্থক্য মোটে দুই বছর, তবে তাদের বয়স বড় প্রভাব ফেলতে পারে নির্বাচনের ফলাফলে। যেমন- ৪৩ শতাংশ অংশগ্রহণকারী মনে করেন, প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় শারীরিক সুস্থতা রয়েছে কেবল ট্রাম্পের। বাইডেনের ক্ষেত্রে এর হার মাত্র ১৬ শতাংশ। ১২ শতাংশ ভোটার মনে করেন তারা উভয়েই যোগ্য, আর ২৯ শতাংশ মনে করেন তাদের কেউই পুরোপুরি সামর্থ্যবান নন।
দুই নেতার মানসিক সুস্থতা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে অনেকের। জরিপের ৪৪ শতাংশ অংশগ্রহণকারী মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হওয়ার মতো মানসিক সুস্থতা রয়েছে কেবল ট্রাম্পের। বাইডেনের এমন সমর্থক রয়েছেন ২৬ শতাংশ। সাত শতাংশ ভোটার মনে করেন, তারা উভয়েই যোগ্য। আর ২৩ শতাংশ ভোটার মনে করেন, তারা কারোরই পর্যাপ্ত মানসিক সুস্থতা নেই।
প্রেসিডেন্টের কী কী যোগ্যতা থাকা দরকার?
জরিপে প্রশ্ন করা হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রে কেমন প্রেসিডেন্ট দরকার? জবাবে ৬৭ শতাংশ বলেছেন কঠোর, যত্নবান বলেছেন ৬৬ শতাংশ, সোজাসাপটা হওয়ার কথা বলেছেন ৬২ শতাংশ, শান্ত চরিত্রের কথা বলেছেন ৬১ শতাংশ এবং ৫৮ শতাংশ বলেছেন কর্মচঞ্চল হওয়ার কথা।
জরিপে বাইডেনকে শান্ত, অনুমানযোগ্য, সহনশীল এবং যত্নশীল হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। আর ট্রাম্পকে বর্ণনা করা হয়েছে উসকানিমূলক, কঠোর, উদ্যোমী, সোজাসাপটা এবং বিনোদনমূলক হিসেবে।
ট্রাম্পকে যারা ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন, তাদের কাছে প্রশ্ন করা হয়েছিল, এর কারণ কী? জবাবে ৯৭ শতাংশ ভোটার বলেছেন, ট্রাম্পের আমলে পরিস্থিতি তুলনামূলক ভালো ছিল। বাইডেন ফের ক্ষমতায় আসলে পরিস্থিতি কী হবে তা নিয়ে উদ্বেগের কারণ দেখিয়েছেন ৮১ শতাংশ ভোটার। ৭৫ শতাংশ ভোটার বলেছেন, তার ব্যক্তিগতভাব বাইডেনকে পছন্দ করেন না এবং ৫৪ শতাংশ বলেছেন, ট্রাম্পকে তাদের ব্যক্তিগতভাবে ভালো লাগে।