ঈদের পর রাজধানীর বাজারে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে সোনালী, লেয়ার, পাকিস্তানি ও দেশি মুরগির দাম আগের মতোই চড়া রয়েছে। এসব মুরগি কেজিপ্রতি ৩৬০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
উত্তরার সমবায় বাজার ঘুরে দেখা গেছে, লেয়ার মুরগি ৩২০ টাকা, সোনালী ৩৬০ টাকা এবং পাকিস্তানি মুরগি ৩৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগি আকারভেদে ৫৫০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতারা জানান, ব্রয়লারের সরবরাহ কিছুটা বাড়ায় এর দাম কমেছে, তবে অন্য মুরগির সরবরাহ কম থাকায় দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
মাংসের বাজারে গরুর মাংস মানভেদে ৭৫০ থেকে ৮৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১ হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, যেখানে তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।
এদিকে মাছের বাজারে সরবরাহ কম থাকলেও দাম স্থিতিশীল রয়েছে। রুই ৩৫০–৪২০ টাকা, কাতলা ৩২০–৩৮০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০–২৮০ টাকা এবং পাঙ্গাস ১৮০–২৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। শিং-মাগুর ৫৫০–৭৫০ টাকা এবং বড় মাছ যেমন বোয়াল-চিতল ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) জানিয়েছে, গত এক সপ্তাহে চাল, আটা, পেঁয়াজসহ কয়েকটি নিত্যপণ্যের দাম কমেছে। মোটা চাল এখন ৫০–৫৫ টাকা কেজি, প্যাকেট আটা ৫০–৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পেঁয়াজের দামও কমে ৩০–৪৫ টাকায় নেমেছে। এছাড়া রসুন, আদা ও কিছু সবজির দামও কমেছে।
ডেস্ক নিউজ 




















