রাজধানীর বাজারগুলোতে কিছু নিত্যপণ্যের দামে স্বস্তি মিললেও কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, লেবু ও শসার দাম কিছুটা কমেছে, বিপরীতে বেড়েছে ব্রয়লার মুরগি ও বিভিন্ন মসলার দাম। ঢাকার খুচরা বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ২০০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে।
শুক্রবার (৬ মার্চ) রাজধানীর মিরপুরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বাজারে মাছ, সবজি ও গরুর মাংসের দাম প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে মানভেদে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৮২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে কিছু পণ্যের দাম কমেছে। প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ১০ টাকা কমে বর্তমানে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কাঁচা মরিচের দাম কেজিপ্রতি ২০ টাকা কমে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রোজার প্রথম সপ্তাহে লেবু ও শসার বাজার ছিল বেশ চড়া। ইফতারে শরবত তৈরিতে লেবুর চাহিদা বেশি থাকায় এবং সালাদের প্রধান উপকরণ হওয়ায় শসার চাহিদাও বেড়ে যায়। সে সময় মানভেদে প্রতি হালি লেবু ৬০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তবে চলতি সপ্তাহে লেবুর দাম কিছুটা কমে বর্তমানে মানভেদে প্রতি হালি ৪০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে রোজার শুরুতে প্রতি কেজি শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে দাম ৫ থেকে ১০ টাকা কমেছে। তবে রোজার মাঝামাঝি সময়ে এসে বেড়েছে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম।
চলতি সপ্তাহে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ২১০ টাকায় এবং সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকায়।
এদিকে বাজারে চিনি ও সুগন্ধি চালের দাম কিছুটা বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি চিনি ১০ টাকা বেড়ে ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি মসলার বাজারও চড়া হতে শুরু করেছে। কেজিপ্রতি ২০০ টাকা বেড়ে আলুবোখারা বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১ হাজার টাকায়। এছাড়া জিরা, কিসমিস ও বিভিন্ন ধরনের বাদামের দাম কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
এদিকে বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন ক্রেতা ও বিক্রেতারা। অনেক দোকানে এক লিটার ও দুই লিটারের বোতল পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা। বিক্রেতাদের দাবি, ডিলাররা চাহিদার তুলনায় অনেক কম তেল সরবরাহ করছেন।
ডেস্ক নিউজ 




















