সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাঁজা বিক্রি করতে নিষেধ করায় খুন হন সাম্য

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০১:৪৮:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫
  • 240

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যা মামলায় সাতজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে ডিবি পুলিশ। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, উদ্যানে গাঁজা বিক্রি করতে নিষেধ করায় সাম্যকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়।

তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক আখতার মোর্শেদ বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। তিনি জানান, এ মামলায় সাতজনকে অভিযুক্ত এবং চারজনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

অভিযুক্তরা হলেন— মেহেদী হাসান, মো. রাব্বি ওরফে কবুতর রাব্বি, মো. রিপন ওরফে আকাশ, নাহিদ হাসান পাপেল, মো. হৃদয় ইসলাম, মো. হারুন অর রশিদ সোহাগ ওরফে লম্বু সোহাগ এবং মো. রবিন। তারা সবাই মাদক কারবারী বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত ১৩ মে রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতরে সাম্যকে ছুরিকাঘাত করা হয়। আহত অবস্থায় বন্ধুরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরদিন নিহতের বড় ভাই শরীফুল ইসলাম শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন।

তদন্তে জানা যায়, অভিযুক্তরা উদ্যানে নিয়মিত গাঁজা বিক্রি করত। সাম্য ও তার বন্ধুরা এ কাজ থেকে তাদের বিরত থাকতে বলায় উভয়ের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। এক পর্যায়ে তারা সাম্যকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়, এতে তিনি নিহত হন।

ডিবির প্রতিবেদনে বলা হয়, মেহেদী ও তার সহযোগীরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাঁজা বিক্রির নেতৃত্ব দিত। ঘটনার রাতে সাম্য অভিযুক্ত রাব্বিকে গাঁজা বিক্রি করতে দেখে বাধা দিলে তাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরে রাব্বি ও তার সহযোগীরা সাম্যকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।

চার্জশিটে বলা হয়েছে, সাম্য হত্যায় মেহেদী হাসানকে মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাঁজা বিক্রি করতে নিষেধ করায় খুন হন সাম্য

Update Time : ০১:৪৮:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যা মামলায় সাতজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে ডিবি পুলিশ। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, উদ্যানে গাঁজা বিক্রি করতে নিষেধ করায় সাম্যকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়।

তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক আখতার মোর্শেদ বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। তিনি জানান, এ মামলায় সাতজনকে অভিযুক্ত এবং চারজনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

অভিযুক্তরা হলেন— মেহেদী হাসান, মো. রাব্বি ওরফে কবুতর রাব্বি, মো. রিপন ওরফে আকাশ, নাহিদ হাসান পাপেল, মো. হৃদয় ইসলাম, মো. হারুন অর রশিদ সোহাগ ওরফে লম্বু সোহাগ এবং মো. রবিন। তারা সবাই মাদক কারবারী বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত ১৩ মে রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতরে সাম্যকে ছুরিকাঘাত করা হয়। আহত অবস্থায় বন্ধুরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরদিন নিহতের বড় ভাই শরীফুল ইসলাম শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন।

তদন্তে জানা যায়, অভিযুক্তরা উদ্যানে নিয়মিত গাঁজা বিক্রি করত। সাম্য ও তার বন্ধুরা এ কাজ থেকে তাদের বিরত থাকতে বলায় উভয়ের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। এক পর্যায়ে তারা সাম্যকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়, এতে তিনি নিহত হন।

ডিবির প্রতিবেদনে বলা হয়, মেহেদী ও তার সহযোগীরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গাঁজা বিক্রির নেতৃত্ব দিত। ঘটনার রাতে সাম্য অভিযুক্ত রাব্বিকে গাঁজা বিক্রি করতে দেখে বাধা দিলে তাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরে রাব্বি ও তার সহযোগীরা সাম্যকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়।

চার্জশিটে বলা হয়েছে, সাম্য হত্যায় মেহেদী হাসানকে মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।