ড. ইউনূসকে নিয়ে ১৬০ ব্যক্তির বিবৃতি আইনবিরোধী

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:১০:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • 771

নিজস্ব প্রতিনিধি:
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আইনে চলমান মামলা স্থগিত চেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেওয়া কয়েকজন নোবেলজয়ী, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও সুশীল সমাজের ১৬০ ব্যক্তির চিঠির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ। সংগঠনটি এই বিবৃতি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।
শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভাপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৪ (ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সম্পূর্ণরূপে স্বাধীনভাবে বিচারকাজ পরিচালনা করে থাকে। ফলে অযাচিতভাবে বিচারাধীন মামলার বিষয়ে এ ধরনের বিবৃতি বা চিঠি দেওয়া স্বাধীন বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা এবং বিচার বিভাগের ওপর অসাংবিধানিক হস্তক্ষেপ। যা স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হুমকিস্বরূপ।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এ ধরনের বিবৃতি আন্তর্জাতিক শ্রমসংস্থা (আইএলও) এবং বাংলাদেশের আইনে শ্রমিকদের প্রদত্ত অধিকার সংক্রান্ত বিধানের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। আবার একই চিঠিতে বাংলাদেশের গণতন্ত্র, রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে যে মন্তব্য করা হয়েছে, তা স্বাধীন, সার্বভৌম একটি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সরাসরি হস্তক্ষেপের শামিল। মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন দেশের দেশপ্রেমিক ও সচেতন নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশের আপামর জনগণ এ ধরনের অবমাননাকর, অযাচিত ও বেআইনি হস্তক্ষেপ কোনোভাবেই মেনে নেবে না। এ ধরনের বিবৃতির পেছনে গোপন ও দুরভিসন্ধিমূলক রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিহিত রয়েছে বলেই প্রতীয়মান হয়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

ড. ইউনূসকে নিয়ে ১৬০ ব্যক্তির বিবৃতি আইনবিরোধী

Update Time : ০৫:১০:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি:
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আইনে চলমান মামলা স্থগিত চেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেওয়া কয়েকজন নোবেলজয়ী, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও সুশীল সমাজের ১৬০ ব্যক্তির চিঠির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদ। সংগঠনটি এই বিবৃতি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে।
শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভাপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৪ (ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সম্পূর্ণরূপে স্বাধীনভাবে বিচারকাজ পরিচালনা করে থাকে। ফলে অযাচিতভাবে বিচারাধীন মামলার বিষয়ে এ ধরনের বিবৃতি বা চিঠি দেওয়া স্বাধীন বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা এবং বিচার বিভাগের ওপর অসাংবিধানিক হস্তক্ষেপ। যা স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হুমকিস্বরূপ।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এ ধরনের বিবৃতি আন্তর্জাতিক শ্রমসংস্থা (আইএলও) এবং বাংলাদেশের আইনে শ্রমিকদের প্রদত্ত অধিকার সংক্রান্ত বিধানের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। আবার একই চিঠিতে বাংলাদেশের গণতন্ত্র, রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে যে মন্তব্য করা হয়েছে, তা স্বাধীন, সার্বভৌম একটি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সরাসরি হস্তক্ষেপের শামিল। মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন দেশের দেশপ্রেমিক ও সচেতন নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশের আপামর জনগণ এ ধরনের অবমাননাকর, অযাচিত ও বেআইনি হস্তক্ষেপ কোনোভাবেই মেনে নেবে না। এ ধরনের বিবৃতির পেছনে গোপন ও দুরভিসন্ধিমূলক রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিহিত রয়েছে বলেই প্রতীয়মান হয়।