Dhaka ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আটকে রাখা মালামাল ফেরতের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:২৮:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৪
  • 116

এস কে রাজু আহম্মেদ, খুলনা

নগরীর ডাকবাংলা সুপার মাকের্টে দোকান ভাড়া নিয়ে প্রায় সাত বছর ধরে সরদার মিজানুর রহমান সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করেন। সম্মেলন সুত্রে জানা যায়, দোকান মালিক মোঃ জাহিদুজ্জামান ভাড়াটিয়া নিয়মনীতি উপেক্ষা করে দোকান ভাড়ার অগ্রীমসহ বিভিন্ন সময়ে নেওয়া পাওনাদী পরিশোধ না করেই জোরপূবর্ক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তালাবদ্ধ করে দিয়েছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আটকে রাখা মালামাল ও পাওনাদী ফেরত পাওয়ার দাবিতে খুলনা প্রেসক্লাব, বুধবার ১৩-১১-২০২৪ তারিখে বিকাল ৩ টায় সংবাদ সম্মেলন হয়।

এর ফলে ৫১ লাখ ১ হাজার ৫শ’ টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে সরদার মিজানুর রহমান দাবি করেন। এবং ওই দোকান মালিকের কাছে এই পাওনাদী পরিশোধের কথা বলা হলে প্রতিনিয়ত তাকে এবং আর পরিবার কে পরিবারকে জীবন নাশের হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। এ নিয়ে শীর্ষ ব্যবসায়িক সংগঠন খুলনা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রাষ্ট্রির সভাপতির মধ্যস্থতায় শালিশী বৈঠকের সিন্দান্তও মানছেন না ওই দোকান মালিক। সুষ্ঠু বিচার পাওয়ার আশায় খুলনা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোন প্রতিকার পাচ্ছেন না। সরদার মিজানুর রহমান আরো বলেন, ২০১৭ সালের ১ জুলাই আমি ডাকবাংলা সুপার মাকের্টের দোকান মালিক মোঃ জাহিদুজ্জামানের কাছ থেকে দোকান ভাড়া নিয়ে ‘সিয়াম ক্রোকারিজ’ নামের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেন।

দোকান ভাড়ার লিখিত ডিড (৩০০ টাকার স্টাম্প) অনুযায়ী এককালীন ৫ লাখ টাকা অগ্রীম গ্রহণ করেন। আর মাসিক ভাড়া নির্ধারণ হয় ৩২ হাজার টাকা। তিন বছরের এই চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ২০২০ সালের ১ জুলাই দ্বিতীয় দফায় আরো তিন বছরের জন্য চুক্তি হয়। এ চুক্তি অনুযায়ি অগ্রীম ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং মাসিক ভাড়া ৪০ হাজার টাকা নির্ধারিত হয়। ২০২৩ সালের ৩০ জুন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন করে ডিড করার জন্য মালিক পক্ষকে সরদার মিজানুর রহমান বলেন। কিন্তু ওই সময় দোকান মালিক মোঃ জাহিদুজ্জামান ভারতে চিকিৎসার কথা বলে সরদার মিজানুর রহমানের কাছ থেকে নগদ ১০ লাখ টাকা গ্রহণ করেন। তখন তিনি বলেন, ভারত থেকে এসে দোকান ডিড করে দেব। কিন্তু ভারত থেকে ফিরে এসেই তিনি দোকান ভাড়া ৮০ হাজার টাকা দাবি করেন। ৪০ হাজার থেকে এক লাফে ৮০ হাজার ভাড়া বাড়ানো একজন দোকানীর প্রতি অবিচার এবং রীতিমতো অন্যায়।

এ অবস্থায় গত ১৩ আগষ্ট ২৪ইং তারিখ সন্ধ্যায় মোঃ জাহিদুজ্জামানের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে। সন্ত্রাসীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি ধামকি প্রদান করে আমাকে এবং আমার ম্যানেজার ইলিয়াস শেখকে দোকান থেকে বের করে দেয়। এসময়ে সন্ত্রাসীরা ক্যাশ বাক্সে থাকা নগদ ১ লাখ ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে জোরপূর্বক দোকানে তালা লাগিয়ে দেয়। সরদার মিজানুর রহমান দোকান ঘর মালিক মোঃ জাহিদুজ্জামানের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের সাহায্য চেয়ে প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তার সহযোগিতা কামনা করেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

আটকে রাখা মালামাল ফেরতের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

Update Time : ১১:২৮:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৪

এস কে রাজু আহম্মেদ, খুলনা

নগরীর ডাকবাংলা সুপার মাকের্টে দোকান ভাড়া নিয়ে প্রায় সাত বছর ধরে সরদার মিজানুর রহমান সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করেন। সম্মেলন সুত্রে জানা যায়, দোকান মালিক মোঃ জাহিদুজ্জামান ভাড়াটিয়া নিয়মনীতি উপেক্ষা করে দোকান ভাড়ার অগ্রীমসহ বিভিন্ন সময়ে নেওয়া পাওনাদী পরিশোধ না করেই জোরপূবর্ক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তালাবদ্ধ করে দিয়েছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আটকে রাখা মালামাল ও পাওনাদী ফেরত পাওয়ার দাবিতে খুলনা প্রেসক্লাব, বুধবার ১৩-১১-২০২৪ তারিখে বিকাল ৩ টায় সংবাদ সম্মেলন হয়।

এর ফলে ৫১ লাখ ১ হাজার ৫শ’ টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে সরদার মিজানুর রহমান দাবি করেন। এবং ওই দোকান মালিকের কাছে এই পাওনাদী পরিশোধের কথা বলা হলে প্রতিনিয়ত তাকে এবং আর পরিবার কে পরিবারকে জীবন নাশের হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। এ নিয়ে শীর্ষ ব্যবসায়িক সংগঠন খুলনা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রাষ্ট্রির সভাপতির মধ্যস্থতায় শালিশী বৈঠকের সিন্দান্তও মানছেন না ওই দোকান মালিক। সুষ্ঠু বিচার পাওয়ার আশায় খুলনা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোন প্রতিকার পাচ্ছেন না। সরদার মিজানুর রহমান আরো বলেন, ২০১৭ সালের ১ জুলাই আমি ডাকবাংলা সুপার মাকের্টের দোকান মালিক মোঃ জাহিদুজ্জামানের কাছ থেকে দোকান ভাড়া নিয়ে ‘সিয়াম ক্রোকারিজ’ নামের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেন।

দোকান ভাড়ার লিখিত ডিড (৩০০ টাকার স্টাম্প) অনুযায়ী এককালীন ৫ লাখ টাকা অগ্রীম গ্রহণ করেন। আর মাসিক ভাড়া নির্ধারণ হয় ৩২ হাজার টাকা। তিন বছরের এই চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ২০২০ সালের ১ জুলাই দ্বিতীয় দফায় আরো তিন বছরের জন্য চুক্তি হয়। এ চুক্তি অনুযায়ি অগ্রীম ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং মাসিক ভাড়া ৪০ হাজার টাকা নির্ধারিত হয়। ২০২৩ সালের ৩০ জুন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন করে ডিড করার জন্য মালিক পক্ষকে সরদার মিজানুর রহমান বলেন। কিন্তু ওই সময় দোকান মালিক মোঃ জাহিদুজ্জামান ভারতে চিকিৎসার কথা বলে সরদার মিজানুর রহমানের কাছ থেকে নগদ ১০ লাখ টাকা গ্রহণ করেন। তখন তিনি বলেন, ভারত থেকে এসে দোকান ডিড করে দেব। কিন্তু ভারত থেকে ফিরে এসেই তিনি দোকান ভাড়া ৮০ হাজার টাকা দাবি করেন। ৪০ হাজার থেকে এক লাফে ৮০ হাজার ভাড়া বাড়ানো একজন দোকানীর প্রতি অবিচার এবং রীতিমতো অন্যায়।

এ অবস্থায় গত ১৩ আগষ্ট ২৪ইং তারিখ সন্ধ্যায় মোঃ জাহিদুজ্জামানের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে। সন্ত্রাসীরা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি ধামকি প্রদান করে আমাকে এবং আমার ম্যানেজার ইলিয়াস শেখকে দোকান থেকে বের করে দেয়। এসময়ে সন্ত্রাসীরা ক্যাশ বাক্সে থাকা নগদ ১ লাখ ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে জোরপূর্বক দোকানে তালা লাগিয়ে দেয়। সরদার মিজানুর রহমান দোকান ঘর মালিক মোঃ জাহিদুজ্জামানের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের সাহায্য চেয়ে প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তার সহযোগিতা কামনা করেন।