নিরাপদ খুলনা’ গড়ার প্রত্যয়ে কেএমপি’র গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ, সফলতা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সংক্রান্ত নিয়ে ১৯ জানুয়ারি রবিবার বেলা ১১ টায় কেএমপি সদর দপ্তর সম্মেলন কক্ষে ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয় জুলাই-আগষ্ট গণঅভ্যুত্থানের পর সারাদেশের ন্যায় খুলনা মহানগরীতেও পুলিশিং ব্যবস্থা প্রায় ভেঙ্গে পড়ে। এই প্রেক্ষাপটে পুলিশিং ব্যবস্থাকে স্থিতিশীল ও কার্যকর করানোর লক্ষ্যে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) কর্তৃপক্ষ নানামূখী পদক্ষেপ গ্রহণ করে। খুলনাকে একটি নিরাপদ শহরে পরিণত করার লক্ষ্যে কেএমপি বেশকিছু সময়োপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। কেএমপি আশা করে নগরবাসীর সহযোগিতা পেলে খুলনা মহানগরকে একটি নিরাপদ শহরে পরিণত করা সম্ভব হবে।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে চলমান পদক্ষেপসমূহ
এক. জনগণের সাথে পুলিশের সম্পৃক্ততা বাড়াতে থানা এলাকায় সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময়।
দুই. ভোরবেলায় চুরি, ডাকাতি এবং ছিনতাই রোধকল্পে সকাল ৬টায় ট্রাফিক ডিউটি নিশ্চিত করা। ট্রাফিক ও ক্রাইম ডিভিশনের সমন্বয়ে যৌথ চেকপোস্ট কার্যক্রম।
তিন, ক্রাইমের হটস্পটগুলোতে প্রতিদিন বিকাল থেকে শুরু করে রাত ১০ টা পর্যন্ত রেইড। মাদক বিক্রেতা এবং মাদকসেবীদের গ্রেফতার।
চার, মহানগরীর তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী এবং চাঁদাবাজদের অস্ত্রসহ গ্রেফতার করাকে অগ্রাধিকার। ১২ জন শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গ্রেফতারের জন্য বড় অংকের টাকা পুরষ্কার ঘোষণা।
পাঁচ. কিশোর অপরাধীদের দৌরাত্ম কমাতে তাদের বাড়িতে বাড়িতে পুলিশি অভিযান পরিচালনা।
ছয়. চোরাই মালামাল ক্রয়-বিক্রয় রোধে মহানগরীর ভাঙ্গারির দোকানগুলোতে ‘ক্রয়-বিক্রয় রেজিস্টার’ চালু।
সাত, জনগণের সাথে পুলিশের দূরত্ব ঘোচানোর লক্ষ্যে এবং পুলিশিং কাজে সহযোগিতার আদায়ের লক্ষ্যে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের সাথে আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বিষয়ক ‘সুধী সমাবেশ’।
আট, পুলিশ কনস্টেবলদের জন্য ডিউটিকালে ব্যক্তিগত স্মার্ট মোবাইল ফোন বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা।
স্টাফ রিপোর্টার 






















