Dhaka ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরকীয়ার জেরে আল-আমিন ও আধিপত্য বিস্তারে অর্নব হত্যা

খুলনা মহানগর পুলিশ অধারী সন্ত্রাসী, কিশোর গ্যাং, স্বর্ণ চোরাচালানকারী, মাদক ব্যবসায়ী, হত্যাকাণ্ডে জড়িত ও কুখ্যাত আসামীদের গ্রেফতারের জন্য সরাশী অভিযান অব্যাহত আছে। গত ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখ আলামিন শেখও ইমনকে মোটরসাইকেল চালানো অবস্থায় অজ্ঞাতনামা আসামীরা চুরিকাঘাত করে হত্যা করে। এই ঘটনায় ভিকটিমের ভাই রাজিবুল ইসলাম বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা থানায়
এজাহার দায়ের করলে মামলা নং-২৪, তারিখ-২১/০২/২০২৫, ধারা-৩০২/৩৪ রুজু করা হয়। এই ঘটনায়ও পুলিশ সিসি টিভি ফুটেজ বিশ্লেষন এবং প্রযুক্তির সহযোগিতায় নিবিড় তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে অল্প সময়ের মধ্যে মামলার রহস্য উদঘাটন করতে সমর্থ হয়েছে। ইতোমধ্যে আসামী বিশ্বজিৎ সাহা (৪৩), পিতা-মৃত্য মতিলাল সাহা, সাং-বনগ্রাম শ্রীপুর, থানা-মোড়েলগঞ্জ, জেলা-বাগেরহাট: এপি সাং-পূর্ব
বানিয়াখামার লোহার গেট, থানা-খুলনা সদর, জেলা-খুলনাকে গ্রেফতার করেছে। মূলত আসামী বিশ্বজিৎ সাহার ভিকটিমের স্ত্রীর সাথে পরোকীয় প্রেমে সূত্র ধরে আলামিন শেখ ইমনের হত্যাকান্ডটি সংঘঠিত হয়েছে।

খুলনা বড় বাজারের ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ সাহার ভিকটিমের স্ত্রী লামিয়ার সাথে প্রেমের সম্পর্ক এবং এক পর্যায়ে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে উঠে। ইমন ঘটনাটি জেনে ফেলে এবং বিশ্বজিৎ শাহাকে ফোন করে কড়াভাষায় গালাগালি করে। এর ফলে ইমনকে শায়েস্তা করার জন্য বিশ্বজিৎ শাহা তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পূর্বের কর্মচারী নাইম ও মুন্সিকে ২০ হাজার টাকায় ভাড়া করে। ঘটনার দিন সকাল ০৮.০০ ঘটিকার সময় তিনি, নাইম ও মুন্সী, ট্রাকস্ট্যান্ড কাচা বাজারের সামনে উপস্থিত হন।

এসময় আল আমিন ইমন মোটরসাইকেল সোনাডাঙ্গা থানাধীন ২২ তলার সামনে এসে পৌঁছালে বিশ্বজিৎ সাহা ইমনকে চিনিয়ে দিলে মোটরসাইকেল
চালানো অবস্থায় নাইম ও মুন্সি আল আমিন ইমন এর পেটে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে আল আমিন ইমনকে হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। ঘটনার সহিত জড়িত অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে।
গত ২৪ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখ নগরীর সোনাডাঙ্গা মডেল থানার তেঁতুল তলা মোড় এলাকায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অর্ণব সরকারকে অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীরা গুলি করে এবং কুপিয়ে হত্যা করে। এই ঘটনায় অর্ণবের পিতা নিতিশ শীল বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা থানায় এজাহার দায়ের করলে মামলা নং-২৬, তারিখ-২৫/০১/২০২৫, ধারা-৩০২/৩৪ রুজু করা হয়। নগরীর আলোচিত এই হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মোতাবেক সোনাডাঙ্গা থানায় একাধিক চৌকস টিম প্রস্তুত করা হয়। গত এক মাস যাবৎ পুলিশ ঘটনাস্থল এবং আশপাশের সিসি টিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং প্রযুক্তির সহযোগিতায় নিবিড় তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে অর্ণব হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করতে সমর্থ হয়েছে ইতমধ্যে সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশ এই মামলার ৯ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের মধ্যে সন্ত্রাসী ইনসান শরিফকে ১ টি ওয়ান শ্যুটার গান, ২ রাউন্ড গুলি এবং হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ১ টি মোটর সাইকেলসহ আটক করা হয়েছে। অন্যান্য আসামীদের মধ্য শাহরিয়ার সজল ও মাহিন হোসেন শুভ, অর্ণব সরকার হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার
কথা স্বীকার করে বিজ্ঞ আদালতে স্বেচ্ছায় ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে। বাকি আসামীরা বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান না করলেও পুলিশের কাছে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে এবং মামলা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছে। সন্ত্রাসী দুই গ্রুপের দ্বন্দ্বের জের ধরে এই হত্যাকান্ড সংঘঠিত হয়েছে। আলোচিত অর্ণব সরকার হত্যা মামলার গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেনঃ ১) মোঃ গোলাম রব্বানী (২৬), পিতা-মোঃ রবিউল ইসলাম, সাং-
ইসলামকারি, থানা-তালা, জেলা-সাতক্ষীরা, এ/পি সাং-গোবরচাকা, থানা-সোনাডাঙ্গা মডেল, ২) রমজান শেখ (২৯) পিতা-খোকন শেখ, সাং- পুটিখালী, থানা-বাগেরহাট সদর, জেলা-বাগেরহাট, এ/পি সাং-আদর্শপল্লী, থানা-সোনাডাঙ্গা মডেল, ৩) জাহিদুল ইসলাম তুরান (২০) পিতা- মোঃ আরিফুল ইসলাম, সাং-মুর্গীপাড়া ১ম গলি, থানা-খুলনা সদর, ৪) সাইফুল গাজী (৩২) পিতা- মৃত: মাগরিব গাজী, সাং-আইডিয়াল
কলেজ রোড, থানা-সোনাডাঙ্গা মডেল, ৫) জাহিদুল ইসলাম রাজ, রাজ উজ্জামান রাজু, রিপন ইসলাম গালকাটা রাজু (৩৫), পিতা- মৃত: ইউনুস শেখ ইউনুস হাওলাদার, সাং-মহিষকান্দি, থানা-কাঠালিয়া, জেলা- ঝালকাঠি, এ/পি সাং-শিপইয়ার্ড মেইন রোড মতিয়াখালী, থানা-লবণচরা, ৬) ইনসান শরিফ (২৯), পিতা-মোশারফ হোসেন, সাং-সোনাডাঙ্গা আবাসিক, থানা-সোনাডাঙ্গা, ৭) আতিক হাসান বান্না
(২৫), পিতা-মেহেদী হাসান, সাং-শরীফাবাদ দক্ষিন টুটপাড়া, থানা-খুলনা সদর, ৮) শাহরিয়ার সজল (২২), পিতা-মোঃ নুরুল ইসলাম, সাং- মোজাহিদ পাড়া, থানা-লবণচরা এবং ৯) মাহিন হোসেন শুভ (২১), পিতা-মোঃ কামাল হোসেন, সাং-আব্দুল বারী ইষ্ট লেন টুটপাড়া, থানা- খুলনা সদর, খুলনা। উল্লেখ্য যে, থানার রেকর্ডপত্র এবং সিডিএমএস পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে আসামী গোলাম রব্বানী এবং আতিক
হাসান বান্নার বিরুদ্ধে কোন মামলা নাই, অন্যান্য আসামীদের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি ও মাদকের একাধিক মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে আরো মামলা আছে কিনা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

পরকীয়ার জেরে আল-আমিন ও আধিপত্য বিস্তারে অর্নব হত্যা

Update Time : ১২:৪৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

খুলনা মহানগর পুলিশ অধারী সন্ত্রাসী, কিশোর গ্যাং, স্বর্ণ চোরাচালানকারী, মাদক ব্যবসায়ী, হত্যাকাণ্ডে জড়িত ও কুখ্যাত আসামীদের গ্রেফতারের জন্য সরাশী অভিযান অব্যাহত আছে। গত ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখ আলামিন শেখও ইমনকে মোটরসাইকেল চালানো অবস্থায় অজ্ঞাতনামা আসামীরা চুরিকাঘাত করে হত্যা করে। এই ঘটনায় ভিকটিমের ভাই রাজিবুল ইসলাম বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা থানায়
এজাহার দায়ের করলে মামলা নং-২৪, তারিখ-২১/০২/২০২৫, ধারা-৩০২/৩৪ রুজু করা হয়। এই ঘটনায়ও পুলিশ সিসি টিভি ফুটেজ বিশ্লেষন এবং প্রযুক্তির সহযোগিতায় নিবিড় তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে অল্প সময়ের মধ্যে মামলার রহস্য উদঘাটন করতে সমর্থ হয়েছে। ইতোমধ্যে আসামী বিশ্বজিৎ সাহা (৪৩), পিতা-মৃত্য মতিলাল সাহা, সাং-বনগ্রাম শ্রীপুর, থানা-মোড়েলগঞ্জ, জেলা-বাগেরহাট: এপি সাং-পূর্ব
বানিয়াখামার লোহার গেট, থানা-খুলনা সদর, জেলা-খুলনাকে গ্রেফতার করেছে। মূলত আসামী বিশ্বজিৎ সাহার ভিকটিমের স্ত্রীর সাথে পরোকীয় প্রেমে সূত্র ধরে আলামিন শেখ ইমনের হত্যাকান্ডটি সংঘঠিত হয়েছে।

খুলনা বড় বাজারের ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ সাহার ভিকটিমের স্ত্রী লামিয়ার সাথে প্রেমের সম্পর্ক এবং এক পর্যায়ে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে উঠে। ইমন ঘটনাটি জেনে ফেলে এবং বিশ্বজিৎ শাহাকে ফোন করে কড়াভাষায় গালাগালি করে। এর ফলে ইমনকে শায়েস্তা করার জন্য বিশ্বজিৎ শাহা তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পূর্বের কর্মচারী নাইম ও মুন্সিকে ২০ হাজার টাকায় ভাড়া করে। ঘটনার দিন সকাল ০৮.০০ ঘটিকার সময় তিনি, নাইম ও মুন্সী, ট্রাকস্ট্যান্ড কাচা বাজারের সামনে উপস্থিত হন।

এসময় আল আমিন ইমন মোটরসাইকেল সোনাডাঙ্গা থানাধীন ২২ তলার সামনে এসে পৌঁছালে বিশ্বজিৎ সাহা ইমনকে চিনিয়ে দিলে মোটরসাইকেল
চালানো অবস্থায় নাইম ও মুন্সি আল আমিন ইমন এর পেটে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে আল আমিন ইমনকে হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। ঘটনার সহিত জড়িত অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে।
গত ২৪ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখ নগরীর সোনাডাঙ্গা মডেল থানার তেঁতুল তলা মোড় এলাকায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অর্ণব সরকারকে অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীরা গুলি করে এবং কুপিয়ে হত্যা করে। এই ঘটনায় অর্ণবের পিতা নিতিশ শীল বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা থানায় এজাহার দায়ের করলে মামলা নং-২৬, তারিখ-২৫/০১/২০২৫, ধারা-৩০২/৩৪ রুজু করা হয়। নগরীর আলোচিত এই হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মোতাবেক সোনাডাঙ্গা থানায় একাধিক চৌকস টিম প্রস্তুত করা হয়। গত এক মাস যাবৎ পুলিশ ঘটনাস্থল এবং আশপাশের সিসি টিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং প্রযুক্তির সহযোগিতায় নিবিড় তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে অর্ণব হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করতে সমর্থ হয়েছে ইতমধ্যে সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশ এই মামলার ৯ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের মধ্যে সন্ত্রাসী ইনসান শরিফকে ১ টি ওয়ান শ্যুটার গান, ২ রাউন্ড গুলি এবং হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ১ টি মোটর সাইকেলসহ আটক করা হয়েছে। অন্যান্য আসামীদের মধ্য শাহরিয়ার সজল ও মাহিন হোসেন শুভ, অর্ণব সরকার হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার
কথা স্বীকার করে বিজ্ঞ আদালতে স্বেচ্ছায় ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে। বাকি আসামীরা বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান না করলেও পুলিশের কাছে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে এবং মামলা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেছে। সন্ত্রাসী দুই গ্রুপের দ্বন্দ্বের জের ধরে এই হত্যাকান্ড সংঘঠিত হয়েছে। আলোচিত অর্ণব সরকার হত্যা মামলার গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেনঃ ১) মোঃ গোলাম রব্বানী (২৬), পিতা-মোঃ রবিউল ইসলাম, সাং-
ইসলামকারি, থানা-তালা, জেলা-সাতক্ষীরা, এ/পি সাং-গোবরচাকা, থানা-সোনাডাঙ্গা মডেল, ২) রমজান শেখ (২৯) পিতা-খোকন শেখ, সাং- পুটিখালী, থানা-বাগেরহাট সদর, জেলা-বাগেরহাট, এ/পি সাং-আদর্শপল্লী, থানা-সোনাডাঙ্গা মডেল, ৩) জাহিদুল ইসলাম তুরান (২০) পিতা- মোঃ আরিফুল ইসলাম, সাং-মুর্গীপাড়া ১ম গলি, থানা-খুলনা সদর, ৪) সাইফুল গাজী (৩২) পিতা- মৃত: মাগরিব গাজী, সাং-আইডিয়াল
কলেজ রোড, থানা-সোনাডাঙ্গা মডেল, ৫) জাহিদুল ইসলাম রাজ, রাজ উজ্জামান রাজু, রিপন ইসলাম গালকাটা রাজু (৩৫), পিতা- মৃত: ইউনুস শেখ ইউনুস হাওলাদার, সাং-মহিষকান্দি, থানা-কাঠালিয়া, জেলা- ঝালকাঠি, এ/পি সাং-শিপইয়ার্ড মেইন রোড মতিয়াখালী, থানা-লবণচরা, ৬) ইনসান শরিফ (২৯), পিতা-মোশারফ হোসেন, সাং-সোনাডাঙ্গা আবাসিক, থানা-সোনাডাঙ্গা, ৭) আতিক হাসান বান্না
(২৫), পিতা-মেহেদী হাসান, সাং-শরীফাবাদ দক্ষিন টুটপাড়া, থানা-খুলনা সদর, ৮) শাহরিয়ার সজল (২২), পিতা-মোঃ নুরুল ইসলাম, সাং- মোজাহিদ পাড়া, থানা-লবণচরা এবং ৯) মাহিন হোসেন শুভ (২১), পিতা-মোঃ কামাল হোসেন, সাং-আব্দুল বারী ইষ্ট লেন টুটপাড়া, থানা- খুলনা সদর, খুলনা। উল্লেখ্য যে, থানার রেকর্ডপত্র এবং সিডিএমএস পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে আসামী গোলাম রব্বানী এবং আতিক
হাসান বান্নার বিরুদ্ধে কোন মামলা নাই, অন্যান্য আসামীদের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি ও মাদকের একাধিক মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে আরো মামলা আছে কিনা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।