বিপৎসীমার ওপরে তিস্তার পানি, নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে মাইকিং

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১১:৪০:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫
  • 310

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নীলফামারী, লালমনিরহাট ও রংপুর জেলার তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের অনেক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। হঠাৎ পানি বেড়ে যাওয়ায় অনেকের বাড়িঘরের ভেতরে পানি ঢুকে পড়েছে। প্রশাসন নদী তীরবর্তী মানুষদের নিরাপদ স্থানে যেতে মাইকিং করছে।

রোববার সন্ধ্যা ৬টার দিকে তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে নদীর পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয় ৫২.২৫ মিটার, যা বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপরে। পানি বৃদ্ধি মোকাবিলায় পানি উন্নয়ন বোর্ড তিস্তা ব্যারেজের সব ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ভারতের দার্জিলিং ও কালিম্পং এলাকায় টানা ভারী বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি ঢল নেমে আসছে, যার ফলে নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিসা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ী ইউনিয়নের অনেক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকায় প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন।

ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরানুজ্জামান জানান, নদীর পানি বেড়ে একটি বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহায়তায় সেটি মেরামত করা হচ্ছে। পানিবন্দি মানুষের জন্য শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে এবং মাইকিং করে মানুষকে নিরাপদ স্থানে যেতে বলা হচ্ছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, সন্ধ্যার পর থেকে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে এবং রাতে পানি আরও বাড়তে পারে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

বিপৎসীমার ওপরে তিস্তার পানি, নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে মাইকিং

Update Time : ১১:৪০:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নীলফামারী, লালমনিরহাট ও রংপুর জেলার তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের অনেক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। হঠাৎ পানি বেড়ে যাওয়ায় অনেকের বাড়িঘরের ভেতরে পানি ঢুকে পড়েছে। প্রশাসন নদী তীরবর্তী মানুষদের নিরাপদ স্থানে যেতে মাইকিং করছে।

রোববার সন্ধ্যা ৬টার দিকে তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে নদীর পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয় ৫২.২৫ মিটার, যা বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপরে। পানি বৃদ্ধি মোকাবিলায় পানি উন্নয়ন বোর্ড তিস্তা ব্যারেজের সব ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ভারতের দার্জিলিং ও কালিম্পং এলাকায় টানা ভারী বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি ঢল নেমে আসছে, যার ফলে নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিসা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ী ইউনিয়নের অনেক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকায় প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন।

ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরানুজ্জামান জানান, নদীর পানি বেড়ে একটি বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহায়তায় সেটি মেরামত করা হচ্ছে। পানিবন্দি মানুষের জন্য শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে এবং মাইকিং করে মানুষকে নিরাপদ স্থানে যেতে বলা হচ্ছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, সন্ধ্যার পর থেকে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে এবং রাতে পানি আরও বাড়তে পারে।