খুলনার খালিশপুরে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত যুবক ঈশান শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যার পর তার ওপর এই নির্মম হামলার ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা ঈশানকে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে রাতেই মৃত্যু হয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, রাতের অন্ধকারে কিছু দুর্বৃত্ত ঈশানের ওপর আকস্মিক হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে রাস্তার পাশে ফেলে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে অবস্থার অবনতি হওয়ায় ঢাকায় স্থানান্তর করা হচ্ছিল।
ঈশানের পরিবার অভিযোগ করেছে—এটি পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিত হামলা। তারা দ্রুত জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্তে ইতোমধ্যে বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। সম্ভাব্য জড়িতদের শনাক্ত করতে বিভিন্ন এলাকা থেকে তথ্য সংগ্রহ চলছে। তদন্তকারী কর্মকর্তারা বলছেন, প্রাথমিক তথ্য ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে অপরাধীদের শনাক্তের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, ঈশানের মৃত্যু শুধু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়—এটি খুলনা শহরে সাম্প্রতিক সময়ে বেড়ে চলা খুন, ধর্ষণ, নির্যাতন, চাঁদাবাজি ও সশস্ত্র অপরাধের ভয়াবহ বাস্তবতার প্রতিফলন। ফলে এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোক ও ক্ষোভের ছায়া।
সচেতন মহল মনে করছে—খুলনা শহরে অপরাধ দমন, যুবসমাজের সুরক্ষা এবং মানুষকে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে প্রশাসনকে জরুরি ও শক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
ঈশানের মৃত্যুতে খালিশপুর শোকাহত। অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি আরও জোরালো হয়ে উঠছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 




















