রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মৃত্যুর গুজব দেশজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। এ পরিস্থিতিতে তার তিন বোন অভিযোগ করেছেন যে, বহুবার চেষ্টা করেও তাদের ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। কারাগারের সামনে অবস্থান নিলে পুলিশ তাদের ওপর লাঠিচার্জও করে।
এই ঘটনার পর রহস্য আরও গভীর হয়েছে। আদিয়ালা কারাগারের বাইরে পিটিআই সমর্থকদের ভিড় বাড়তে থাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে কারা কর্তৃপক্ষ একটি বিবৃতি দিয়ে দাবি করেছে, ইমরান খান কারাগারেই আছেন, সুস্থ আছেন এবং নিয়মিত চিকিৎসা পাচ্ছেন। অসুস্থতা বা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার খবরকে ভিত্তিহীন বলা হয়।
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফও জানান, ইমরান খান কারাগারে সর্বোচ্চ সুবিধা পাচ্ছেন।
তবে এসব দাবি নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন ইমরান খানের ছোট ছেলে কাসিম খান। এক্স–এ প্রকাশিত বিবৃতিতে তিনি জানান, পরিবারের কাছে তার বাবার জীবিত থাকার কোনো প্রমাণ নেই। গত ছয় সপ্তাহ ধরে তাকে একক বন্দিত্বে ‘ডেথ সেল’-এ রাখা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও পরিবারের সাক্ষাতের অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বলে দাবি করেন কাসিম।
তিনি বলেন, এক মাসেরও বেশি সময় ধরে সরকার পরিবারকে কোনো সাক্ষাৎ বা ফোনকলের সুযোগ দেয়নি, যা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্ধকারে রাখার প্রচেষ্টা। ইমরান খানের নিরাপত্তা নিয়ে যেকোনো ঘটনার দায় সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকেই নিতে হবে বলে সতর্ক করেন তিনি।
আন্তর্জাতিক মহল ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রতি কাসিম জরুরি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান। তিনি ইমরান খানের জীবিত থাকার প্রমাণ প্রকাশ, পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিশ্চিত করা এবং তার মুক্তির দাবি তোলার আহ্বান জানান।
ইমরান খান ২০২২ সালে অনাস্থা ভোটে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার হন এবং ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাগারে রয়েছেন।
ডেস্ক নিউজ 





















