Dhaka ০৪:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গুলশানে স্পা সেন্টারের অভিযানে তোপের মুখে পুলিশ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৩৭:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জানুয়ারী ২০২২
  • 357

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কথায় আছে চোরের মায়ের বড় গলা।  গুলশানের একটি বাসায় স্পা সেন্টারের আড়ালে অনৈতিক কর্মকান্ডের তথ্য পায় পুলিশ। গুলশানের ১২৩ নং সড়কের ২১ নং বাড়িতে গোপন সুত্রের ভিত্তিতে অভিযান চালালে তোপের মুখে পড়ে পুলিশ। স্পা সেন্টারে কর্মরত নারীরা রীতিমতো বাক বিতন্ডা শুরু করে পুলিশের সাথে। ভিতরে প্রবেশে বাধা প্রদান করে তারা। একপর্যায়ে বাড়ির কেয়ারটেকার কে উপস্থিত করা হলে তিনি জানান, এসকল মেয়েরা সকলেই স্পা সেন্টারে কাজ করেন। বাড়ির মালিকের যোগসাজশেই এই স্পা সেন্টারটি পরিচালিত হয়। তখনই স্পা সেন্টারে কর্মরত নারীদের বাগবিতন্ডা বন্ধ হয়। একে একে বেরিয়ে আসে থলের বিড়াল।
তালা ভেঙ্গে স্পা সেন্টারের ভিতরে প্রবেশ করলে ছোট ছোট কক্ষে অনৈতিক কর্মকান্ডের প্রমাণ পায় পুলিশ।
সাদা কাপড়ের কভারে মোড়ানো একাধিক বিছানা যেন স্পষ্ট বলছে অনৈতিক কর্মকান্ডের কথা।
কেয়ারটেকারের তথ্যমতে অধিক অর্থের আশায় বাড়ির মালিকের সহযোগিতায় দীর্ঘদিন ধরে চলছে এই স্পা সেন্টার।এ সেন্টার থেকে মাসে দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা পাচ্ছে বাড়ির মালিক।

এছাড়া পুলিশের তথ্যমতে এসকল স্পা সেন্টারে নিয়মিত চলে মাদকের আড্ডা। কয়েকবার অভিযান পরিচালনা করে বেশ কয়েকজনকে আটক করলেও পুরোপুরি বন্ধ হচ্ছেনা এ কার্যক্রম।
এ বিষয়ে পুলিশের গুলশান জোনের এডিসি নাজমুল হাসান ফিরোজ বলেন, ঘরে মাদকসেবন করতে না পারায় ভালো পরিবারের সন্তানেরা স্পা সেন্টারগুলো মাদকসেবনের জায়গা হিসেবে বেছে নিয়েছে। আটক করা হলেও ১ সপ্তাহ বা ১৫ দিনের মধ্যে জামিন পেয়ে একই কাজে লিপ্ত হচ্ছে তারা।

এদিকে গুলশান ও বনানী এলাকার ৩ টি স্পা সেন্টারে অভিযান চালিয়ে ২৮ জন কে আটক করে পুলিশ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

গুলশানে স্পা সেন্টারের অভিযানে তোপের মুখে পুলিশ

Update Time : ০২:৩৭:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জানুয়ারী ২০২২

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ কথায় আছে চোরের মায়ের বড় গলা।  গুলশানের একটি বাসায় স্পা সেন্টারের আড়ালে অনৈতিক কর্মকান্ডের তথ্য পায় পুলিশ। গুলশানের ১২৩ নং সড়কের ২১ নং বাড়িতে গোপন সুত্রের ভিত্তিতে অভিযান চালালে তোপের মুখে পড়ে পুলিশ। স্পা সেন্টারে কর্মরত নারীরা রীতিমতো বাক বিতন্ডা শুরু করে পুলিশের সাথে। ভিতরে প্রবেশে বাধা প্রদান করে তারা। একপর্যায়ে বাড়ির কেয়ারটেকার কে উপস্থিত করা হলে তিনি জানান, এসকল মেয়েরা সকলেই স্পা সেন্টারে কাজ করেন। বাড়ির মালিকের যোগসাজশেই এই স্পা সেন্টারটি পরিচালিত হয়। তখনই স্পা সেন্টারে কর্মরত নারীদের বাগবিতন্ডা বন্ধ হয়। একে একে বেরিয়ে আসে থলের বিড়াল।
তালা ভেঙ্গে স্পা সেন্টারের ভিতরে প্রবেশ করলে ছোট ছোট কক্ষে অনৈতিক কর্মকান্ডের প্রমাণ পায় পুলিশ।
সাদা কাপড়ের কভারে মোড়ানো একাধিক বিছানা যেন স্পষ্ট বলছে অনৈতিক কর্মকান্ডের কথা।
কেয়ারটেকারের তথ্যমতে অধিক অর্থের আশায় বাড়ির মালিকের সহযোগিতায় দীর্ঘদিন ধরে চলছে এই স্পা সেন্টার।এ সেন্টার থেকে মাসে দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা পাচ্ছে বাড়ির মালিক।

এছাড়া পুলিশের তথ্যমতে এসকল স্পা সেন্টারে নিয়মিত চলে মাদকের আড্ডা। কয়েকবার অভিযান পরিচালনা করে বেশ কয়েকজনকে আটক করলেও পুরোপুরি বন্ধ হচ্ছেনা এ কার্যক্রম।
এ বিষয়ে পুলিশের গুলশান জোনের এডিসি নাজমুল হাসান ফিরোজ বলেন, ঘরে মাদকসেবন করতে না পারায় ভালো পরিবারের সন্তানেরা স্পা সেন্টারগুলো মাদকসেবনের জায়গা হিসেবে বেছে নিয়েছে। আটক করা হলেও ১ সপ্তাহ বা ১৫ দিনের মধ্যে জামিন পেয়ে একই কাজে লিপ্ত হচ্ছে তারা।

এদিকে গুলশান ও বনানী এলাকার ৩ টি স্পা সেন্টারে অভিযান চালিয়ে ২৮ জন কে আটক করে পুলিশ।