হামলায় সালমান রুশদির এক চোখ-হাত অকেজো

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:১৮:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অক্টোবর ২০২২
  • 169

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আলোচিত লেখক সালমান রুশদির ওপর সম্প্রতি ছুরি হামলা হয়েছে। এতে তার এক চোখের দৃষ্টিশক্তি ও একহাত সম্পূর্ণভাবে অকেজো হয়ে গেছে। গত ১২ আগস্ট নিউইয়র্কের একটি শিক্ষাকেন্দ্রে হলভর্তি দর্শকের সামনে বক্তৃতা দেওয়ার প্রস্তুতিকালে সালমান রুশদির ওপর ওই হামলা হয়।

১৯৮৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রুশদির বিতর্কিত স্যাটানিক ভার্সেস বইটি প্রকাশিত হয়। মহানবী ও তার স্ত্রীদেরকে নিয়ে চরম আপত্তিকর বক্তব্য প্রকাশ করেন রুশদি। এ ঘটনায় ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনী ১৯৮৯ সালে রুশদির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের ফতোয়া জারি করেন। এরপর রুশদি আত্মগোপনে চলে যান ও সব সময় পুলিশ প্রহরায় তাকে জীবনযাপন করতে হয়েছে।

গত আগস্ট মাসে হামলার পর তার ছেলে জাফর রুশদি জানিয়েছিল যে, তার বাবার ওপর যে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে তা মারাত্মক ও জীবনে বড় ধরনের পরিবর্তন এনে দেবে।

এ ঘটনায় হাদি মাতার নামে লেবাননী বংশোদ্ভুত একজন ২৪ বছর বয়সী আমেরিকান নাগরিককে আটক করা হয়। আটকের পর আগস্ট মাসেই কারাগারে থাকা অবস্থায় নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হাদি মাতার খোমেনীকে মহান ব্যক্তিত্ব বলে উল্লেখ করেন। তবে তিনি এ কথা বলেননি যে, ইমাম খোমেনীর ওই ফতোয়া অনুসরণ করে তিনি রুশদির ওপর হামলা চালিয়েছেন।

হাদি মাতার সবসময় বলেছেন, তিনি রুশদিকে পছন্দ করেন না। কারণ এই ব্যক্তি ইসলামের ওপর আঘাত হেনেছে। রুশদিকে হত্যা প্রচেষ্টার জন্য হাদি মাতার নিজেকে নির্দোষও দাবি করেছেন।

 

ফার্স্ট নিউজ ৭১/

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

হামলায় সালমান রুশদির এক চোখ-হাত অকেজো

Update Time : ০১:১৮:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অক্টোবর ২০২২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
আলোচিত লেখক সালমান রুশদির ওপর সম্প্রতি ছুরি হামলা হয়েছে। এতে তার এক চোখের দৃষ্টিশক্তি ও একহাত সম্পূর্ণভাবে অকেজো হয়ে গেছে। গত ১২ আগস্ট নিউইয়র্কের একটি শিক্ষাকেন্দ্রে হলভর্তি দর্শকের সামনে বক্তৃতা দেওয়ার প্রস্তুতিকালে সালমান রুশদির ওপর ওই হামলা হয়।

১৯৮৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রুশদির বিতর্কিত স্যাটানিক ভার্সেস বইটি প্রকাশিত হয়। মহানবী ও তার স্ত্রীদেরকে নিয়ে চরম আপত্তিকর বক্তব্য প্রকাশ করেন রুশদি। এ ঘটনায় ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনী ১৯৮৯ সালে রুশদির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের ফতোয়া জারি করেন। এরপর রুশদি আত্মগোপনে চলে যান ও সব সময় পুলিশ প্রহরায় তাকে জীবনযাপন করতে হয়েছে।

গত আগস্ট মাসে হামলার পর তার ছেলে জাফর রুশদি জানিয়েছিল যে, তার বাবার ওপর যে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে তা মারাত্মক ও জীবনে বড় ধরনের পরিবর্তন এনে দেবে।

এ ঘটনায় হাদি মাতার নামে লেবাননী বংশোদ্ভুত একজন ২৪ বছর বয়সী আমেরিকান নাগরিককে আটক করা হয়। আটকের পর আগস্ট মাসেই কারাগারে থাকা অবস্থায় নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হাদি মাতার খোমেনীকে মহান ব্যক্তিত্ব বলে উল্লেখ করেন। তবে তিনি এ কথা বলেননি যে, ইমাম খোমেনীর ওই ফতোয়া অনুসরণ করে তিনি রুশদির ওপর হামলা চালিয়েছেন।

হাদি মাতার সবসময় বলেছেন, তিনি রুশদিকে পছন্দ করেন না। কারণ এই ব্যক্তি ইসলামের ওপর আঘাত হেনেছে। রুশদিকে হত্যা প্রচেষ্টার জন্য হাদি মাতার নিজেকে নির্দোষও দাবি করেছেন।

 

ফার্স্ট নিউজ ৭১/