এ ব্যাপারে হায়দ্রাবাদের ওই বেসরকারি হাসপাতালের পরিচালক ডা. ভি চন্দ্রমোহন জানিয়েছেন, ‘খুব সম্ভবত গত দু’বছর ধরে রোগীর দেহে এই পাথরগুলো জন্ম নিয়েছে। কিন্তু আগে কোনো উপসর্গ দেখা দেয়নি। হঠাৎ করে ব্যথা অনুভব করার পরই তার যাবতীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো হয় এবং পরীক্ষার রিপোর্টেই পাথরের উপস্থিতি ধরা পড়ে।তিনি আরও বলেন, সব কিছু বিবেচনা করেই আমরা ল্যাপারস্কোপি এবং অ্যান্ডোস্কোপির মাধ্যমে পাথরগুলো বের করে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। প্রথাগত অপারেশন ছাড়াই এই প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
অনলাইন ডেস্কঃ
বড় কোনো অপারেশন ছাড়া কেবল ল্যাপারস্কোপি এবং অ্যান্ডোস্কোপির মাধ্যমে ৫০ বছর বয়সী এক রোগীর কিডনি থেকে ১৫৬টি পাথর অপসারণ করেছেন চিকিৎসকরা। ব্যতিক্রম এই ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর হায়দ্রাবাদের একটি হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডি টিভি।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ৫০ বছর বয়সী এক রোগীর কিডনি থেকে তারা ১৫৬টি পাথর বের করেছেন।তাদের ভাষ্য, প্রথাগত বড় কোনো অস্ত্রপ্রচারের বদলে ল্যাপারস্কোপি ও অ্যান্ডোস্কোপি পদ্ধতি অনুসরণ করে পাথরগুলো বাইরে বের করা হয়। পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে সময় লাগে মোট তিন ঘণ্টা।
হায়দ্রাবাদের ওই হাসপাতালের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, কিডনি থেকে পাথর বের করা ওই রোগীর নাম বাসবরাজ মাদিওয়ালার। তিনি কর্নাটকের হুবলি শহর থেকে চিকিৎসার জন্য হায়দ্রাবাদে আসেন।
Reporter Name 





















