Dhaka ১১:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৮৭ কোটি টাকা আত্মসাৎ

সাবেক গভর্নর আতিউর ও অর্থনীতিবিদ বারাকাতসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০২:৪৫:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 133

এননটেক্স গ্রুপের নামে ২৮৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান ও অর্থনীতিবিদ আবুল বারাকাতসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে। দুদকের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, এননটেক্স কোম্পানির নামে জনতা ব্যাক থেকে ২৮৭ কোটি টাকার আত্মসাৎ অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার আসামিদের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান এবং খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদ আবুল বারাকাতসহ মোট ২৩ জন ব্যক্তি রয়েছেন।

এজাহারে বলা হয়, আতিউর রহমান এবং তার সহযোগী অন্যান্য ব্যক্তিরা বিভিন্ন অনৈতিক কৌশলে এই অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। যদিও এর আগে ২০২২ সালে ঋণ অনিয়ম তদন্ত করে দুদক প্রমাণ না পাওয়ায় অভিযোগের পরিসমাপ্তি হয়েছে বলে জানা গেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

২৮৭ কোটি টাকা আত্মসাৎ

সাবেক গভর্নর আতিউর ও অর্থনীতিবিদ বারাকাতসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

Update Time : ০২:৪৫:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

এননটেক্স গ্রুপের নামে ২৮৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান ও অর্থনীতিবিদ আবুল বারাকাতসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে। দুদকের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, এননটেক্স কোম্পানির নামে জনতা ব্যাক থেকে ২৮৭ কোটি টাকার আত্মসাৎ অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার আসামিদের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান এবং খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদ আবুল বারাকাতসহ মোট ২৩ জন ব্যক্তি রয়েছেন।

এজাহারে বলা হয়, আতিউর রহমান এবং তার সহযোগী অন্যান্য ব্যক্তিরা বিভিন্ন অনৈতিক কৌশলে এই অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। যদিও এর আগে ২০২২ সালে ঋণ অনিয়ম তদন্ত করে দুদক প্রমাণ না পাওয়ায় অভিযোগের পরিসমাপ্তি হয়েছে বলে জানা গেছে।