এক দশক পর জাতিসংঘের আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার শুরু

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৩:১৭:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
  • 263


প্রায় এক দশক পর মিয়ানমারের ধর্মীয় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত গণহত্যার মামলার বিচার শুরু হয়েছে জাতিসংঘের আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজি)। নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত এই আদালতে সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা থেকে মামলার শুনানি শুরু হয়, যা টানা তিন সপ্তাহ চলবে।
জাতিসংঘে নথিভুক্ত এই মামলার তদন্তকারী সংস্থা ‘ইউএন ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইনভেস্টিগেটিভ মেকানিজম ফর মিয়ানমার’-এর প্রধান নিকোলাস কৌমজিয়ান বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২০১৭ সালে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর অভিযানের ফলে ব্যাপক হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের শিকার হয় রোহিঙ্গারা। সেনা অভিযানের মুখে প্রাণ বাঁচাতে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশসহ প্রতিবেশী দেশগুলোতে পালিয়ে আসে। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া এসব রোহিঙ্গা এখনো শরণার্থী জীবনযাপন করছে।
ঘটনার পর জাতিসংঘের একটি অনুসন্ধানী দল তদন্ত করে সেনাবাহিনীর ওই অভিযানকে ‘গণহত্যামূলক তৎপরতা’ হিসেবে চিহ্নিত করে। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই ২০১৯ সালে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আইসিজিতে গণহত্যার মামলা দায়ের করে।
মামলার বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিকোলাস কৌমজিয়ান বলেন, এই বিচার গণহত্যার সংজ্ঞা, অভিযোগ প্রমাণের মানদণ্ড এবং আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হয়ে থাকবে।
সূত্র: রয়টার্স

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

এক দশক পর জাতিসংঘের আদালতে রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার শুরু

Update Time : ০৩:১৭:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬


প্রায় এক দশক পর মিয়ানমারের ধর্মীয় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত গণহত্যার মামলার বিচার শুরু হয়েছে জাতিসংঘের আদালত ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজি)। নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত এই আদালতে সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা থেকে মামলার শুনানি শুরু হয়, যা টানা তিন সপ্তাহ চলবে।
জাতিসংঘে নথিভুক্ত এই মামলার তদন্তকারী সংস্থা ‘ইউএন ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইনভেস্টিগেটিভ মেকানিজম ফর মিয়ানমার’-এর প্রধান নিকোলাস কৌমজিয়ান বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২০১৭ সালে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর অভিযানের ফলে ব্যাপক হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের শিকার হয় রোহিঙ্গারা। সেনা অভিযানের মুখে প্রাণ বাঁচাতে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশসহ প্রতিবেশী দেশগুলোতে পালিয়ে আসে। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া এসব রোহিঙ্গা এখনো শরণার্থী জীবনযাপন করছে।
ঘটনার পর জাতিসংঘের একটি অনুসন্ধানী দল তদন্ত করে সেনাবাহিনীর ওই অভিযানকে ‘গণহত্যামূলক তৎপরতা’ হিসেবে চিহ্নিত করে। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই ২০১৯ সালে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আইসিজিতে গণহত্যার মামলা দায়ের করে।
মামলার বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিকোলাস কৌমজিয়ান বলেন, এই বিচার গণহত্যার সংজ্ঞা, অভিযোগ প্রমাণের মানদণ্ড এবং আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হয়ে থাকবে।
সূত্র: রয়টার্স