কলকাতার আদালতে পিকে হালদার, খোঁজা হচ্ছে পৃথ্বীশ হালদারকে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:১২:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০২৩
  • 138

অনলাইন ডেস্ক
আগামী ১৬ মে পিকে হালদারসহ অভিযুক্ত ছয়জনকে কলকাতার আদালতে তোলা হবে। মঙ্গলবার পিকে হালদারকে আদালতে তোলা হলে কলকাতার নগর দায়রা আদালতের সিবিআই স্পেশাল কক্ষ-৩ এর বিচারক শুভেন্দু সাহা এই রায় দেন।
পাশাপাশি ইডি তরফে হালদার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে যে নথি আদালতে পেশ করা হয়েছে অভিযুক্ত আইনজীবীদের তা যাচাই করে ১৭ এপ্রিল আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
পৃথ্বীশ হালদারকে খোঁজা হচ্ছে। আগামী মে মাসের ১৬ তারিখ মধ্যে তাকে খুঁজে না পেলে তার নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হবে।
প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা লোপাট ও বিদেশে পাচার করে পালিয়ে যাওয়া প্রশান্ত কুমার (পিকে) হালদারকে গত বছরের মে মাসে ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) অশোকনগর থেকে গ্রেপ্তার করে। গোয়েন্দা সংস্থাটি জানায়, পিকে হালদার সে দেশে শিবশঙ্কর হালদার নাম ধারণ করেছিলেন। এই নামে তিনি পশ্চিমবঙ্গ থেকে রেশন কার্ড করে নেন। এমনকি ভারতীয় ভোটার কার্ড, প্যান ও আধার কার্ডের মতো বিভিন্ন সরকারি পরিচয় জালিয়াতি করে তিনি নিজেকে শিবশঙ্কর হালদার বানিয়ে নেন। এছাড়া তিনি নিজেকে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে জাহির করছিলেন। একই অবস্থা ছিল তার সহযোগীদেরও, যাদের তার সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুরোধে ভারতে এ অভিযান চালানো হয়। ওই অভিযানে আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর মধ্যে চারজন বাংলাদেশি। তারা হলেন, প্রীতিশ কুমার হালদার ও তার স্ত্রী (নাম জানা যায়নি), উত্তম মিত্র ও স্বপন মিত্র। এ ছাড়া প্রণব হালদার নামে এক ভারতীয়কে গ্রেপ্তার করে ইডি। প্রণব সেখানে সরকারি চাকরি করেন। পরে সঞ্জীব হালাদার নামে একজনকে আটক করার কথা জানায় ইডি। শনিবার রাত ১২টা পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি। সঞ্জীব বাংলাদেশ গ্রেপ্তার সুকুমার মৃধার জামাই।
একই অভিযানে সন্ধান পাওয়া যায় পিকে হালদারের বিপুল সম্পদেরও। ডিরেক্টরেট অব এনফোর্সমেন্ট পশ্চিমবঙ্গে তার কয়েকটি অভিজাত বাড়িসহ বিপুল সম্পত্তির কথা জানিয়েছে। বাড়িগুলো থেকে জমির দলিলসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক নথি জব্দ করা হয়। শুধু পশ্চিমবঙ্গে পিকে হালদারের ২০ থেকে ২২টি বাড়ি আছে বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে সংস্থাটি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

মানবতাবিরোধী অপরাধে গ্রেপ্তার মোজাফফর, ২ দিনের জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি

কলকাতার আদালতে পিকে হালদার, খোঁজা হচ্ছে পৃথ্বীশ হালদারকে

Update Time : ০৩:১২:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক
আগামী ১৬ মে পিকে হালদারসহ অভিযুক্ত ছয়জনকে কলকাতার আদালতে তোলা হবে। মঙ্গলবার পিকে হালদারকে আদালতে তোলা হলে কলকাতার নগর দায়রা আদালতের সিবিআই স্পেশাল কক্ষ-৩ এর বিচারক শুভেন্দু সাহা এই রায় দেন।
পাশাপাশি ইডি তরফে হালদার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে যে নথি আদালতে পেশ করা হয়েছে অভিযুক্ত আইনজীবীদের তা যাচাই করে ১৭ এপ্রিল আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
পৃথ্বীশ হালদারকে খোঁজা হচ্ছে। আগামী মে মাসের ১৬ তারিখ মধ্যে তাকে খুঁজে না পেলে তার নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হবে।
প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা লোপাট ও বিদেশে পাচার করে পালিয়ে যাওয়া প্রশান্ত কুমার (পিকে) হালদারকে গত বছরের মে মাসে ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) অশোকনগর থেকে গ্রেপ্তার করে। গোয়েন্দা সংস্থাটি জানায়, পিকে হালদার সে দেশে শিবশঙ্কর হালদার নাম ধারণ করেছিলেন। এই নামে তিনি পশ্চিমবঙ্গ থেকে রেশন কার্ড করে নেন। এমনকি ভারতীয় ভোটার কার্ড, প্যান ও আধার কার্ডের মতো বিভিন্ন সরকারি পরিচয় জালিয়াতি করে তিনি নিজেকে শিবশঙ্কর হালদার বানিয়ে নেন। এছাড়া তিনি নিজেকে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে জাহির করছিলেন। একই অবস্থা ছিল তার সহযোগীদেরও, যাদের তার সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুরোধে ভারতে এ অভিযান চালানো হয়। ওই অভিযানে আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর মধ্যে চারজন বাংলাদেশি। তারা হলেন, প্রীতিশ কুমার হালদার ও তার স্ত্রী (নাম জানা যায়নি), উত্তম মিত্র ও স্বপন মিত্র। এ ছাড়া প্রণব হালদার নামে এক ভারতীয়কে গ্রেপ্তার করে ইডি। প্রণব সেখানে সরকারি চাকরি করেন। পরে সঞ্জীব হালাদার নামে একজনকে আটক করার কথা জানায় ইডি। শনিবার রাত ১২টা পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি। সঞ্জীব বাংলাদেশ গ্রেপ্তার সুকুমার মৃধার জামাই।
একই অভিযানে সন্ধান পাওয়া যায় পিকে হালদারের বিপুল সম্পদেরও। ডিরেক্টরেট অব এনফোর্সমেন্ট পশ্চিমবঙ্গে তার কয়েকটি অভিজাত বাড়িসহ বিপুল সম্পত্তির কথা জানিয়েছে। বাড়িগুলো থেকে জমির দলিলসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক নথি জব্দ করা হয়। শুধু পশ্চিমবঙ্গে পিকে হালদারের ২০ থেকে ২২টি বাড়ি আছে বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে সংস্থাটি।