ছবি: খুলনা নূরনগরের একটি সূর্যমুখী বাগানের সৌন্দর্য অবলোকন করছেন খুলনার জনপ্রিয় ইউটিউবার ও টিকটকার আবু হানিফ
মতিউর রহমান, খুলনা
হলুদের উপর কালো খয়েরি রঙের আবরণ। দূর থেকে মনে হবে গুটি কয়েক সূর্য মালা হেলে-দুলে খেলা করছে। বসন্তের বাতাস যেন একগুচ্ছ সূর্যমুখীর কোল ঘেষে বয়ে যাচ্ছে।
খুলনার নূরনগর ডায়াবেটিস সমিতি হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় কয়েকজন চাষী পৃথকভাবে সূর্যমুখী ফুল চাষ করেছেন । প্রতিনিয়ত এ ফুলের সৌন্দর্য অবলোকন করতে দূর দূরান্ত থেকে ছুটে আসছেন বিনোদন প্রেমীরা। সব মিলিয়ে এই সূর্যমুখী ফুলের বাগান যেন বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। অধিকাংশ হলুদ ও সামান্য পরিমাণ কালো রঙে বেষ্টিত এ ফুল দেখতে ছুটে আসছেন শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বয়োজ্যেষ্ঠরা। খুলনায় বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত ভিড় থাকায় প্রকৃতি ও সবুজ প্রেমীরা সূর্যমুখী বাগান বেছে নিয়েছেন। এ বাগান পরিদর্শনে এসেছেন ছোটো টেডি খ্যাত খুলনার অন্যতম ইউটিউবার ও টিকটকার আবু হানিফ।
তিনি বলেন ” আমি প্রায়ই এই সূর্যমুখী বাগানে ঘুরতে আসি। আমি ও আমার টিম এখানে শ্যুটিং করব বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
এছাড়া গোবরচাকা পল্লীমঙ্গল থেকে আসা এক কিশোরী বলেন, “সূর্যমুখী ফুল আমার খুব পছন্দের। তাইতো সূর্যমুখীর রঙের সাথে হলুদ শাড়ি ম্যাচ করে পরেছি।”
এদিকে বাগানের মালিকেরা সূর্যমুখী ফুল বিক্রি করে বাড়তি আয় করছেন। তেলের উদ্দেশ্যে এই ফুলের চাষ করা হলেও বিনোদিনপ্রেমীদের নিকট প্রতিটি ফুল ৫০ টাকা দরে বিক্রি করছেন চাষীরা।
এক নারী চাষী বলেন, “বাগানে সবাই ইচ্ছামত ঘুরছে। তবে কেও ফুল নিতে চাইলে ৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে।”
তবে, সঠিক পরিচর্যা ও সহজ প্রক্রিয়ায় বাজারজাত করা হলে, চাষীরা অধিক লাভবান হবে বলে মনে করেন কৃষি বিপণন কর্মকর্তা সুজাত হোসেন খান।
তিনি বলেন, “সূর্যমুখী ফুলের চাষ অত্যন্ত লাভজনক। সহজলভ্য প্রক্রিয়ায় বাজারজাত করা হলে চাষীরা উপকৃত হবেন।”
সূর্যমুখী চাষে খুলনার অন্যান্য কৃষকেরা উদ্বুদ্ধ হলে একদিকে অধিক লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অপরদিকে খুলনার সূর্যমূখী প্রেমী দর্শনার্থীগন খুজে পাবে বিনোদনের উম্মুক্ত স্থান। এমনটা মনে করছেন কৃষি ও কৃষিজাত পন্য সংশ্লিষ্টরা।
Reporter Name 

















