Dhaka ১১:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নগরবাসীকে স্বস্তি দিতে ইফতারের সময়েও দায়িত্ব পালন করে যান ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা, রাস্তায়ই সেরে নেন ইফতার।

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৫৯:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৩
  • 753
নগরবাসীকে স্বস্তি দিতে ইফতারের সময়েও দায়িত্ব পালন করে যান ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা, রাস্তায়ই সেরে নেন ইফতার
আজ বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল ২০২৩) বিজয় স্মরণি ট্রাফিক মোড়ে ট্রাফিক পুলিশের সম্মানে তাদের সঙ্গে ইফতারে শরিক হন ডিএমপি কমিশনার জনাব খন্দকার গোলাম ফারুক বিপিএম-বার, পিপিএম।
সামনেই পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর। একারণে কর্মব্যস্ততা বেড়েছে ঢাকা মহানগরীর বাসিন্দাদের। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে রাস্তার যানজটও। সন্ধ্যা নামার আগেই অনেকে বাসায় ফিরতে চান। রাস্তায় থাকে মানুষের ভিড়। একারণে রাস্তায় বাড়ে যানবাহনের চাপ। সেই যানজট নিরসনে হিমশিম খেতে হয় ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের। এরপরও ঘরমুখো মানুষ যেন ইফতারের আগেই গন্তব্যস্থলে পৌঁছাতে পারে এজন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তারা। সাধারণ মানুষ তাদের প্রিয়জনদের সাথে ইফতার করতে পারলেও, প্রিয়জনদের সাথে ইফতার করা হয় না ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের। ইফতারের সময়ও তাদের ডিউটি করে যেতে হয়।  রাস্তায় দাঁড়িয়ে-দাঁড়িয়ে ইফতারি করেন তারা, বসারও জায়গা থাকে না অনেক সময়। কখনো বসার জায়গা থাকলেও বসার সময়ও পান না তারা। ইফতারির ফাঁকেই যানজট নিয়ন্ত্রণ করতে হয়ে তাদের।
ইফতারের সময়ও ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের অক্লান্ত পরিশ্রমের কথা উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ইফতারের সময় সবাই বাসায় ইফতার করার জন্য গাড়ি নিয়ে ছুটছে। কিন্তু আমাদের ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা বিভিন্ন ট্রাফিক সিগনালে দাঁড়িয়ে থাকে যাতে সবাই স্বস্তিতে বাসায় গিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে ইফতার করতে পারে। এ সময় তারা একহাতে পানির বোতল নিয়ে ইফতার করে এবং অন্যহাতে সিগনাল দিয়ে গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক রাখছে। তাদের এই দায়িত্ব পালন শুধু দেশের প্রতি ও দেশের জনগণের প্রতি।
নগরবাসীর উদ্দেশ্যে ডিএমপি কমিশনার বলেন, আপনারা শুধু ট্রাফিক পুলিশের দোষ-ত্রুটি দেখেন। কিন্তু তারা যে অক্লান্ত পরিশ্রম করে আপনাদের সেবায় নিয়োজিত থাকে সেই বিষয়টি মাথায় রেখে মানবিক দৃষ্টিতে দেখবেন ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবেন।
এ সময় অসহায়, দরিদ্র ও পথশিশুদের মাঝেও ইফতার বিতরণ করে ডিএমপি কমিশনার।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) এ কে এম হাফিজ আক্তার বিপিএম-বার; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ মুনিবুর রহমান; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মোঃ আসাদুজ্জামান বিপিএম (বার); যুগ্ম-পুলিশ কমিশনারগণ, উপ-পুলিশ কমিশনারগণ ও বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয়

নগরবাসীকে স্বস্তি দিতে ইফতারের সময়েও দায়িত্ব পালন করে যান ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা, রাস্তায়ই সেরে নেন ইফতার।

Update Time : ০৯:৫৯:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৩
নগরবাসীকে স্বস্তি দিতে ইফতারের সময়েও দায়িত্ব পালন করে যান ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা, রাস্তায়ই সেরে নেন ইফতার
আজ বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল ২০২৩) বিজয় স্মরণি ট্রাফিক মোড়ে ট্রাফিক পুলিশের সম্মানে তাদের সঙ্গে ইফতারে শরিক হন ডিএমপি কমিশনার জনাব খন্দকার গোলাম ফারুক বিপিএম-বার, পিপিএম।
সামনেই পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর। একারণে কর্মব্যস্ততা বেড়েছে ঢাকা মহানগরীর বাসিন্দাদের। পাল্লা দিয়ে বেড়েছে রাস্তার যানজটও। সন্ধ্যা নামার আগেই অনেকে বাসায় ফিরতে চান। রাস্তায় থাকে মানুষের ভিড়। একারণে রাস্তায় বাড়ে যানবাহনের চাপ। সেই যানজট নিরসনে হিমশিম খেতে হয় ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের। এরপরও ঘরমুখো মানুষ যেন ইফতারের আগেই গন্তব্যস্থলে পৌঁছাতে পারে এজন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তারা। সাধারণ মানুষ তাদের প্রিয়জনদের সাথে ইফতার করতে পারলেও, প্রিয়জনদের সাথে ইফতার করা হয় না ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের। ইফতারের সময়ও তাদের ডিউটি করে যেতে হয়।  রাস্তায় দাঁড়িয়ে-দাঁড়িয়ে ইফতারি করেন তারা, বসারও জায়গা থাকে না অনেক সময়। কখনো বসার জায়গা থাকলেও বসার সময়ও পান না তারা। ইফতারির ফাঁকেই যানজট নিয়ন্ত্রণ করতে হয়ে তাদের।
ইফতারের সময়ও ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের অক্লান্ত পরিশ্রমের কথা উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ইফতারের সময় সবাই বাসায় ইফতার করার জন্য গাড়ি নিয়ে ছুটছে। কিন্তু আমাদের ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা বিভিন্ন ট্রাফিক সিগনালে দাঁড়িয়ে থাকে যাতে সবাই স্বস্তিতে বাসায় গিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে ইফতার করতে পারে। এ সময় তারা একহাতে পানির বোতল নিয়ে ইফতার করে এবং অন্যহাতে সিগনাল দিয়ে গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক রাখছে। তাদের এই দায়িত্ব পালন শুধু দেশের প্রতি ও দেশের জনগণের প্রতি।
নগরবাসীর উদ্দেশ্যে ডিএমপি কমিশনার বলেন, আপনারা শুধু ট্রাফিক পুলিশের দোষ-ত্রুটি দেখেন। কিন্তু তারা যে অক্লান্ত পরিশ্রম করে আপনাদের সেবায় নিয়োজিত থাকে সেই বিষয়টি মাথায় রেখে মানবিক দৃষ্টিতে দেখবেন ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবেন।
এ সময় অসহায়, দরিদ্র ও পথশিশুদের মাঝেও ইফতার বিতরণ করে ডিএমপি কমিশনার।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) এ কে এম হাফিজ আক্তার বিপিএম-বার; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ মুনিবুর রহমান; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মোঃ আসাদুজ্জামান বিপিএম (বার); যুগ্ম-পুলিশ কমিশনারগণ, উপ-পুলিশ কমিশনারগণ ও বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।