নববধূ মিতুসহ তিনজনের দাফন সম্পন্ন

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০২:৫৯:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
  • 80

বাগেরহাটের রামপালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত নববধূ মারজিয়া আক্তার মিতু, তার বোন লামিয়া ও দাদি রাশিদা বেগমের জানাজা শেষে খুলনায় পারিবাকরিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টায় খুলনার কয়রার নাকশা গ্রামের বাড়ির পাশে মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয়রা জানান, মারজিয়া আক্তার মিতু ও তার পরিবারের মরদেহ গ্রামের বাড়ি আনার পর সকালেই জানাজার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। শোকের ছায়া নেমে এসেছে গ্রামে।

ঘটনার তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাতে খুলনার কয়রা উপজেলার নাকশা গ্রামের আবদুস সালামের মেয়ে মার্জিয়া আক্তারের সঙ্গে মোংলা পৌরসভার আহাদুর রহমানের বিয়ে হয়। বিয়ের পর মাইক্রোবাসে ফিরতে গেলে রামপাল উপজেলার বেলাইবিজ এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে মাইক্রোবাসের চালকসহ ১৪ জন নিহত হন। মাইক্রোবাসে ছিলেন মার্জিয়া আক্তার মিতু, তার বোন লামিয়া, দাদি রাশিদা বেগম ও নানি আনোয়ারা বেগম।

আরও বর পরিবারের ৯ জনের মরদেহ মোংলায় নেওয়া হয়েছে, সেখানে দাফনের অপেক্ষায় মানুষ রয়েছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

নববধূ মিতুসহ তিনজনের দাফন সম্পন্ন

Update Time : ০২:৫৯:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

বাগেরহাটের রামপালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত নববধূ মারজিয়া আক্তার মিতু, তার বোন লামিয়া ও দাদি রাশিদা বেগমের জানাজা শেষে খুলনায় পারিবাকরিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টায় খুলনার কয়রার নাকশা গ্রামের বাড়ির পাশে মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয়রা জানান, মারজিয়া আক্তার মিতু ও তার পরিবারের মরদেহ গ্রামের বাড়ি আনার পর সকালেই জানাজার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। শোকের ছায়া নেমে এসেছে গ্রামে।

ঘটনার তথ্য অনুযায়ী, বুধবার রাতে খুলনার কয়রা উপজেলার নাকশা গ্রামের আবদুস সালামের মেয়ে মার্জিয়া আক্তারের সঙ্গে মোংলা পৌরসভার আহাদুর রহমানের বিয়ে হয়। বিয়ের পর মাইক্রোবাসে ফিরতে গেলে রামপাল উপজেলার বেলাইবিজ এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে মাইক্রোবাসের চালকসহ ১৪ জন নিহত হন। মাইক্রোবাসে ছিলেন মার্জিয়া আক্তার মিতু, তার বোন লামিয়া, দাদি রাশিদা বেগম ও নানি আনোয়ারা বেগম।

আরও বর পরিবারের ৯ জনের মরদেহ মোংলায় নেওয়া হয়েছে, সেখানে দাফনের অপেক্ষায় মানুষ রয়েছেন।