পাকিস্তানি বিমান বাহিনীর অভিযানে কান্দাহারে নিহত ৪০

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০২:৩৭:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫
  • 177

অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পরপরই আফগানিস্তানের কান্দাহার প্রদেশের স্পিন বোলদাক শহরে বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তানের বিমান বাহিনী। এতে নিহত হয়েছেন অন্তত ৪০ জন এবং আহত হয়েছেন আরও ১৭৯ জন।

তোলো নিউজের বরাতে জানা গেছে, নিহতদের সবাই বেসামরিক নাগরিক, যাদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছেন। স্পিন বোলদাক আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তবর্তী একটি শহর।

১১ থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে সংঘাত চলার পর ১৫ অক্টোবর থেকে ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি শুরু হয়। সেই বিরতির মেয়াদ শেষ হয় ১৭ অক্টোবর দুপুর ১টার দিকে, আর কয়েক ঘণ্টা পরই এই হামলা চালায় পাকিস্তান।

হামলার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিমান হামলার পাশাপাশি পাকিস্তানি স্থলবাহিনীও নোকলি, হাজি হাসান কেলাই, ওয়ার্দাক, কুচিয়ান, শহীদ ও শোরবাক এলাকাগুলোতে আর্টিলারি হামলা চালায়, যাতে বহু ঘরবাড়ি ও দোকানপাট ধ্বংস হয়ে যায়।

পাকিস্তান দাবি করছে, আফগানিস্তান তালেবান সরকারের আশ্রয়ে থাকা তেহরিক-ই তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) গোষ্ঠীই তাদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। তবে কাবুল বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

পাকিস্তানি বিমান বাহিনীর অভিযানে কান্দাহারে নিহত ৪০

Update Time : ০২:৩৭:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পরপরই আফগানিস্তানের কান্দাহার প্রদেশের স্পিন বোলদাক শহরে বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তানের বিমান বাহিনী। এতে নিহত হয়েছেন অন্তত ৪০ জন এবং আহত হয়েছেন আরও ১৭৯ জন।

তোলো নিউজের বরাতে জানা গেছে, নিহতদের সবাই বেসামরিক নাগরিক, যাদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছেন। স্পিন বোলদাক আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তবর্তী একটি শহর।

১১ থেকে ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে সংঘাত চলার পর ১৫ অক্টোবর থেকে ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি শুরু হয়। সেই বিরতির মেয়াদ শেষ হয় ১৭ অক্টোবর দুপুর ১টার দিকে, আর কয়েক ঘণ্টা পরই এই হামলা চালায় পাকিস্তান।

হামলার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিমান হামলার পাশাপাশি পাকিস্তানি স্থলবাহিনীও নোকলি, হাজি হাসান কেলাই, ওয়ার্দাক, কুচিয়ান, শহীদ ও শোরবাক এলাকাগুলোতে আর্টিলারি হামলা চালায়, যাতে বহু ঘরবাড়ি ও দোকানপাট ধ্বংস হয়ে যায়।

পাকিস্তান দাবি করছে, আফগানিস্তান তালেবান সরকারের আশ্রয়ে থাকা তেহরিক-ই তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) গোষ্ঠীই তাদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। তবে কাবুল বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।