পাঙ্গাস-তেলাপিয়া মাছ ছাড়া কপালে কিছু নেই: কুদ্দুস বয়াতি

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:৪৮:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • 147


বিনোদন প্রতিবেদক
অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা ঘোষণা দিয়েছিলেন ভারতে আর ইলিশ মাছ পাঠানো হবে না। এ ঘোষণায় দেশের সিংহভাগ মানুষ ভীষণ খুশি হয়েছিল। সবাই মনে করেছিল ভারতে ইলিশ না পাঠালে দেশের বাজারে কমমূল্যে বিক্রি হবে। কিন্তু বাজারে এর প্রভাব তেমন একটা পড়েনি।
এদিকে গতকাল (২১ সেপ্টেম্বর) আবার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে ভারতে ইলিশ রপ্তানি করা হবে। এ ঘোষণার পরে সোশ্যাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন মাধ্যমে নানান ধরনের আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। শ্রোতাপ্রিয় লোকসংগীতশিল্পী কুদ্দুস বয়াতিও বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন। তিনি তার সোশ্যাল মিডিয়ায় এ নিয়ে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন।
কুদ্দুস বয়াতি স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘যেই ক্ষমতায় আসুক, আমাদের কপালে পাঙ্গাস আর তেলাপিয়া ছাড়া কিছু নাই।’ দেশের বাজারে ইলিশ মাছ অনেকেরই ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নেই, সে অবস্থায় ভারতে ইলিশ রপ্তানি করাকে তিনি ইতিবাচকভাবে নেননি-কুদ্দুস বয়াতির স্ট্যাটাসে এমনটাই বোঝা যাচ্ছে।
কুদ্দুস বয়াতির স্ট্যাটাসের মন্তব্যে তার ভক্তরা বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য লিখছেন। আহমেদ শশী নামের একজন লিখেছেন, গরিবের জাতীয় মাছ ‘পাঙ্গাস’। মোহাম্মদ জালাল হোসেন নামের একজন মজা করে লিখেছেন, ‘পাঙ্গাস জাতীয় মাছ লইয়া একটা গান ধরেন কুদ্দুস কাহা’।
সম্প্রতি কুদ্দুস বয়াতি নতুন সরকারের কাছে রাজধানীর শাহবাগে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের নানান ধরনের দাবি নিয়েও একটি স্ট্যাটাস দিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন। এতে তিনি লিখেছিলেন, ‘শাহবাগের নাম পাল্টে মামাবাড়ির আবদারবাগ রাখা হোক।’
লোকসংগীতশিল্পী কুদ্দুস বয়াতী শৈশব থেকেই গান-বাজনার অনুরাগী। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মহুয়া, মলুয়া, দেওয়ান বাদশা, কাঞ্চন বাদশা, হাতেমতাইসহ অনেক ধরনের পালাগানের আসর মাতান। তবে ১৯৯২ সালে প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ‘এই দিন দিন না আরও দিন আছে’ শিরোনামে গানের মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি পান কুদ্দুস বয়াতি। বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার প্রচারণার অংশ হিসেবে গানটি গেয়েছিলেন তিনি। এরপর আর পিছে তাকাতে হয়নি কুদ্দুস বয়াতিকে। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময়ও দেশবাসীকে সচেতন করতে কাজ করেছেন তিনি। ‘জাইনা চলেন, মাইনা চলেন’ শিরোনামে গানের মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করতে কাজ করছেন এ লোকসংগীতশিল্পী। তিনি বিশ্বের অনেক দেশে গান গেয়ে বাংলা ভাষাভাষী মানুষের মন জয় করেছেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

পাঙ্গাস-তেলাপিয়া মাছ ছাড়া কপালে কিছু নেই: কুদ্দুস বয়াতি

Update Time : ০৭:৪৮:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৪


বিনোদন প্রতিবেদক
অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা ঘোষণা দিয়েছিলেন ভারতে আর ইলিশ মাছ পাঠানো হবে না। এ ঘোষণায় দেশের সিংহভাগ মানুষ ভীষণ খুশি হয়েছিল। সবাই মনে করেছিল ভারতে ইলিশ না পাঠালে দেশের বাজারে কমমূল্যে বিক্রি হবে। কিন্তু বাজারে এর প্রভাব তেমন একটা পড়েনি।
এদিকে গতকাল (২১ সেপ্টেম্বর) আবার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে ভারতে ইলিশ রপ্তানি করা হবে। এ ঘোষণার পরে সোশ্যাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন মাধ্যমে নানান ধরনের আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। শ্রোতাপ্রিয় লোকসংগীতশিল্পী কুদ্দুস বয়াতিও বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন। তিনি তার সোশ্যাল মিডিয়ায় এ নিয়ে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন।
কুদ্দুস বয়াতি স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘যেই ক্ষমতায় আসুক, আমাদের কপালে পাঙ্গাস আর তেলাপিয়া ছাড়া কিছু নাই।’ দেশের বাজারে ইলিশ মাছ অনেকেরই ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নেই, সে অবস্থায় ভারতে ইলিশ রপ্তানি করাকে তিনি ইতিবাচকভাবে নেননি-কুদ্দুস বয়াতির স্ট্যাটাসে এমনটাই বোঝা যাচ্ছে।
কুদ্দুস বয়াতির স্ট্যাটাসের মন্তব্যে তার ভক্তরা বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য লিখছেন। আহমেদ শশী নামের একজন লিখেছেন, গরিবের জাতীয় মাছ ‘পাঙ্গাস’। মোহাম্মদ জালাল হোসেন নামের একজন মজা করে লিখেছেন, ‘পাঙ্গাস জাতীয় মাছ লইয়া একটা গান ধরেন কুদ্দুস কাহা’।
সম্প্রতি কুদ্দুস বয়াতি নতুন সরকারের কাছে রাজধানীর শাহবাগে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের নানান ধরনের দাবি নিয়েও একটি স্ট্যাটাস দিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন। এতে তিনি লিখেছিলেন, ‘শাহবাগের নাম পাল্টে মামাবাড়ির আবদারবাগ রাখা হোক।’
লোকসংগীতশিল্পী কুদ্দুস বয়াতী শৈশব থেকেই গান-বাজনার অনুরাগী। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মহুয়া, মলুয়া, দেওয়ান বাদশা, কাঞ্চন বাদশা, হাতেমতাইসহ অনেক ধরনের পালাগানের আসর মাতান। তবে ১৯৯২ সালে প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ‘এই দিন দিন না আরও দিন আছে’ শিরোনামে গানের মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি পান কুদ্দুস বয়াতি। বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার প্রচারণার অংশ হিসেবে গানটি গেয়েছিলেন তিনি। এরপর আর পিছে তাকাতে হয়নি কুদ্দুস বয়াতিকে। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময়ও দেশবাসীকে সচেতন করতে কাজ করেছেন তিনি। ‘জাইনা চলেন, মাইনা চলেন’ শিরোনামে গানের মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করতে কাজ করছেন এ লোকসংগীতশিল্পী। তিনি বিশ্বের অনেক দেশে গান গেয়ে বাংলা ভাষাভাষী মানুষের মন জয় করেছেন।