Dhaka ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
হচ্ছে না সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়

বাতিলের তালিকায় উঠছে গণভোটসহ ২০ অধ্যাদেশ

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ১০:২৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
  • 94


অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে অন্তত ২০টি বাতিলের সুপারিশ করতে যাচ্ছে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি। এর ফলে এসব অধ্যাদেশের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। সংসদের প্রথম অধিবেশনে এগুলোর অনুমোদন পাওয়া নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।

কমিটির সদস্যরা জানিয়েছেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ ও সাংবিধানিকতার ভিত্তিতে অধ্যাদেশগুলো যাচাই করা হচ্ছে। যেসব অধ্যাদেশে ঐকমত্য হচ্ছে না, সেগুলো বাতিলের সুপারিশ করা হচ্ছে। প্রয়োজনে পরবর্তীতে নতুন করে বিল আকারে সংসদে তোলা হতে পারে।

গণভোট অধ্যাদেশ-২০২৫ ছাড়াও বাতিল করার সুপারিশের তালিকায় রয়েছে বিচার বিভাগের জন্য করা সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ-২০২৫, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ-২০২৫, পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ-২০২৫, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) বিলুপ্ত করে রাজস্ব খাতকে দুভাগ করে করা ‘রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ-২০২৫, দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫, বেসামরিক বিমান চলাচল (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৬, বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৬, মানবদেহে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংযোজন অধ্যাদেশ-২০২৫, মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫, অর্থ অধ্যাদেশ-২০২৫, অর্থ-সংক্রান্ত কতিপয় আইন (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫, দ্য এক্সাইজ অ্যান্ড সল্ট (আমেন্ডমেন্ট) অর্ডিন্যান্স-২০২৫, অর্থ সংক্রান্ত কতিপয় (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫ এবং তথ্য অধিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৬।’

কমিটির সদস্যদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তাড়াহুড়ো করে অনেক অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে, যেগুলোতে বিভিন্ন ত্রুটি রয়েছে। বিশেষ করে স্পর্শকাতর বিষয়গুলো আরও গভীরভাবে পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে।

সংবিধান অনুযায়ী, সংসদের প্রথম অধিবেশনে উপস্থাপনের পর ৩০ দিনের মধ্যে অনুমোদন না পেলে অধ্যাদেশগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। সে অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেগুলো পাস হবে না, সেগুলো বাতিল হিসেবে গণ্য হবে।

বিশেষ কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদনের পর এসব অধ্যাদেশের বিষয়ে সংসদে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

হচ্ছে না সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়

বাতিলের তালিকায় উঠছে গণভোটসহ ২০ অধ্যাদেশ

Update Time : ১০:২৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬


অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে অন্তত ২০টি বাতিলের সুপারিশ করতে যাচ্ছে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি। এর ফলে এসব অধ্যাদেশের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। সংসদের প্রথম অধিবেশনে এগুলোর অনুমোদন পাওয়া নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।

কমিটির সদস্যরা জানিয়েছেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ ও সাংবিধানিকতার ভিত্তিতে অধ্যাদেশগুলো যাচাই করা হচ্ছে। যেসব অধ্যাদেশে ঐকমত্য হচ্ছে না, সেগুলো বাতিলের সুপারিশ করা হচ্ছে। প্রয়োজনে পরবর্তীতে নতুন করে বিল আকারে সংসদে তোলা হতে পারে।

গণভোট অধ্যাদেশ-২০২৫ ছাড়াও বাতিল করার সুপারিশের তালিকায় রয়েছে বিচার বিভাগের জন্য করা সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ-২০২৫, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ-২০২৫, পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ-২০২৫, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) বিলুপ্ত করে রাজস্ব খাতকে দুভাগ করে করা ‘রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ-২০২৫, দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫, বেসামরিক বিমান চলাচল (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৬, বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৬, মানবদেহে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংযোজন অধ্যাদেশ-২০২৫, মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫, অর্থ অধ্যাদেশ-২০২৫, অর্থ-সংক্রান্ত কতিপয় আইন (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫, দ্য এক্সাইজ অ্যান্ড সল্ট (আমেন্ডমেন্ট) অর্ডিন্যান্স-২০২৫, অর্থ সংক্রান্ত কতিপয় (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫ এবং তথ্য অধিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৬।’

কমিটির সদস্যদের মতে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তাড়াহুড়ো করে অনেক অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে, যেগুলোতে বিভিন্ন ত্রুটি রয়েছে। বিশেষ করে স্পর্শকাতর বিষয়গুলো আরও গভীরভাবে পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে।

সংবিধান অনুযায়ী, সংসদের প্রথম অধিবেশনে উপস্থাপনের পর ৩০ দিনের মধ্যে অনুমোদন না পেলে অধ্যাদেশগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। সে অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেগুলো পাস হবে না, সেগুলো বাতিল হিসেবে গণ্য হবে।

বিশেষ কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদনের পর এসব অধ্যাদেশের বিষয়ে সংসদে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।