মামদানির জয়ে নিউইয়র্কে সার্বভৌমত্ব হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র : ট্রাম্প

  • ডেস্ক নিউজ
  • Update Time : ০৩:১৬:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫
  • 107

নিউইয়র্কের নতুন মেয়র জোহরান মামদানির বিজয়ের পর শহরটির ওপর ‘সার্বভৌমত্ব হারিয়েছে’ যুক্তরাষ্ট্র—এমন মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বুধবার মায়ামিতে এক বক্তৃতায় ট্রাম্প বলেন, “নিউইয়র্কে মামদানি মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র তার সার্বভৌমত্ব হারিয়েছে। আমরা বিষয়টা দেখবো।” তিনি দাবি করেন, দেশটির সবচেয়ে বড় শহরটি এখন ‘কমিউনিস্ট শহরে’ পরিণত হবে।

তিনি আরও বলেন, “ফ্লোরিডা খুব শিগগিরই নিউইয়র্কের কমিউনিজম থেকে পালিয়ে আসা মানুষের আশ্রয়স্থল হয়ে উঠবে। আমেরিকানদের সামনে এখন সিদ্ধান্ত খুব পরিষ্কার— আমরা কমিউনিজম বেছে নেব, না কমনসেন্স? আমরা অর্থনৈতিক দুঃস্বপ্ন নয়, বরং অর্থনৈতিক অলৌকিকতা চাই।”

তবে ট্রাম্প বলেন, “আমরা চাই নিউইয়র্ক সফল হোক। আমরা ওকে একটু সাহায্য করব, হয়তো সামান্য।”

অন্যদিকে ট্রাম্পের সমালোচনার জবাবে জোহরান মামদানি বলেন, তিনি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে জীবনযাত্রার ব্যয় ইস্যুতে আলোচনা করতে প্রস্তুত। মামদানি জানান, ট্রাম্পের মতো তিনিও জীবনযাত্রার উচ্চ ব্যয়, মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব এবং বাজারদর বৃদ্ধিকে নিজের প্রচারণার কেন্দ্রে রেখেছিলেন।

তার ভাষায়, “প্রেসিডেন্টের জন্য এখান থেকে শেখার বিষয় হলো— শুধু শ্রমজীবী মানুষের সংকট চিহ্নিত করলেই হবে না, সেই সংকট মোকাবিলায় বাস্তব পদক্ষেপও নিতে হবে।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

মামদানির জয়ে নিউইয়র্কে সার্বভৌমত্ব হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র : ট্রাম্প

Update Time : ০৩:১৬:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

নিউইয়র্কের নতুন মেয়র জোহরান মামদানির বিজয়ের পর শহরটির ওপর ‘সার্বভৌমত্ব হারিয়েছে’ যুক্তরাষ্ট্র—এমন মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বুধবার মায়ামিতে এক বক্তৃতায় ট্রাম্প বলেন, “নিউইয়র্কে মামদানি মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র তার সার্বভৌমত্ব হারিয়েছে। আমরা বিষয়টা দেখবো।” তিনি দাবি করেন, দেশটির সবচেয়ে বড় শহরটি এখন ‘কমিউনিস্ট শহরে’ পরিণত হবে।

তিনি আরও বলেন, “ফ্লোরিডা খুব শিগগিরই নিউইয়র্কের কমিউনিজম থেকে পালিয়ে আসা মানুষের আশ্রয়স্থল হয়ে উঠবে। আমেরিকানদের সামনে এখন সিদ্ধান্ত খুব পরিষ্কার— আমরা কমিউনিজম বেছে নেব, না কমনসেন্স? আমরা অর্থনৈতিক দুঃস্বপ্ন নয়, বরং অর্থনৈতিক অলৌকিকতা চাই।”

তবে ট্রাম্প বলেন, “আমরা চাই নিউইয়র্ক সফল হোক। আমরা ওকে একটু সাহায্য করব, হয়তো সামান্য।”

অন্যদিকে ট্রাম্পের সমালোচনার জবাবে জোহরান মামদানি বলেন, তিনি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে জীবনযাত্রার ব্যয় ইস্যুতে আলোচনা করতে প্রস্তুত। মামদানি জানান, ট্রাম্পের মতো তিনিও জীবনযাত্রার উচ্চ ব্যয়, মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব এবং বাজারদর বৃদ্ধিকে নিজের প্রচারণার কেন্দ্রে রেখেছিলেন।

তার ভাষায়, “প্রেসিডেন্টের জন্য এখান থেকে শেখার বিষয় হলো— শুধু শ্রমজীবী মানুষের সংকট চিহ্নিত করলেই হবে না, সেই সংকট মোকাবিলায় বাস্তব পদক্ষেপও নিতে হবে।”