Dhaka ০৫:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিশুসাহিত্যিক আশরাফুল আলম পিনটু মারা গেছেন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৪০:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৪
  • 191


সাহিত্য ডেস্ক:
সাংবাদিক, শিশুসাহিত্যিক ও ছড়াকার আশরাফুল আলম পিনটু মারা গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। ২৭ আগস্ট ভোরে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ শুরু হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
ঢাকা সাব-এডিটর কাউন্সিলের সাবেক সভাপতি মামুন ফরাজী মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আশরাফুল আলম পিনটুর জন্ম ১৯৬৪ সালের ১৫ মার্চ বরেন্দ্রভূমির নানাবাড়ি কাদিপুরে। দাদাবাড়ি তালপুকুর। বাবার বাড়ি রাজশাহী শহরের শালবাগান। দাদাবাডি আর নানাবাড়িতেই কেটেছে তার বেশিরভাগ সময়।
লেখালেখির শুরু ১৯৭৬ সালে। দেশের বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় লিখতেন নিয়মিত। ছােট-বড় সবার জন্যই লিখেছেন। লিখেছেন গল্প, উপন্যাস, ছড়া, কবিতা ও কলাম।
বড়দের জন্য প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ৩৫টি। ছােটদের জন্য ছড়ার বই ‘তালপাতার বাঁশি’, গল্পের বই ‘শশানতলির সার্কাস’, উপন্যাস ‘টুপিন ভাই জিন্দাবাদ’, ‘দাদুর বেড়াল’। শৈশববিষয়ক বই ‘রূপকথা নয় চুপকথা’।
লেখালেখির পাশাপাশি চাকরি করতে দৈনিক যুগান্তরে। সম্পাদনা করতেন ছােটদের পাতা ‘আলাের নাচন’। এ ছাড়া একদিন প্রতিদিন বিভাগের বিভাগীয় সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Deen Md

জনপ্রিয়

এইচএসসি পরীক্ষা ২ জুলাই : শিক্ষামন্ত্রী

শিশুসাহিত্যিক আশরাফুল আলম পিনটু মারা গেছেন

Update Time : ০৪:৪০:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৪


সাহিত্য ডেস্ক:
সাংবাদিক, শিশুসাহিত্যিক ও ছড়াকার আশরাফুল আলম পিনটু মারা গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। ২৭ আগস্ট ভোরে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ শুরু হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
ঢাকা সাব-এডিটর কাউন্সিলের সাবেক সভাপতি মামুন ফরাজী মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আশরাফুল আলম পিনটুর জন্ম ১৯৬৪ সালের ১৫ মার্চ বরেন্দ্রভূমির নানাবাড়ি কাদিপুরে। দাদাবাড়ি তালপুকুর। বাবার বাড়ি রাজশাহী শহরের শালবাগান। দাদাবাডি আর নানাবাড়িতেই কেটেছে তার বেশিরভাগ সময়।
লেখালেখির শুরু ১৯৭৬ সালে। দেশের বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় লিখতেন নিয়মিত। ছােট-বড় সবার জন্যই লিখেছেন। লিখেছেন গল্প, উপন্যাস, ছড়া, কবিতা ও কলাম।
বড়দের জন্য প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ৩৫টি। ছােটদের জন্য ছড়ার বই ‘তালপাতার বাঁশি’, গল্পের বই ‘শশানতলির সার্কাস’, উপন্যাস ‘টুপিন ভাই জিন্দাবাদ’, ‘দাদুর বেড়াল’। শৈশববিষয়ক বই ‘রূপকথা নয় চুপকথা’।
লেখালেখির পাশাপাশি চাকরি করতে দৈনিক যুগান্তরে। সম্পাদনা করতেন ছােটদের পাতা ‘আলাের নাচন’। এ ছাড়া একদিন প্রতিদিন বিভাগের বিভাগীয় সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।