ফার্স্টনিউজ ডেস্ক
অনেক সময় শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যথা হয়। ব্যথা-বেদনা হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়াই মুড়ি-মুড়কির মতো ‘পেন কিলার’ কিনে খেয়ে নেন অনেকেই। তা একদমই ভুল।
বহুদিন ধরেই বহু মানুষ ব্যথা বেদনা উপশমে অপরিহার্য তেল, নানা ভেষজ উপাদান এবং বিকল্প থেরাপি ব্যবহার করে আসছেন। তেমনই কিছু প্রাকৃতিক উপায় হলো-
রোজমেরি তেল : রোজমেরি তেল মাথাব্যথা, পেশি ও হাড়ের ব্যথা এবং খিঁচুনি নিরাময়ে সহায়তা করতে পারে। পাশাপাশি এটি প্রদাহ কমাতে পারে। মসৃণ পেশি শিথিল করতে পারে। এমনকি স্মৃতিশক্তিও বাড়াতে পারে। সরাসরি ব্যবহার না করে অলিভ অয়েলের মতো অন্য কোনো তেলে মিশিয়ে পাতলা করে ব্যবহার করতে হয় এটি। এক আউন্স সাধারণ তেলে তিন থেকে পাঁচ ফোঁটা রোজমেরি তেল যোগ করুন।
ক্যাপসাইসিন : অনেকে মরিচের মধ্যে উপস্থিত ক্যাপসাইসিনও ব্যবহার করেন। এ পদার্থটি ত্বকের উপর প্রয়োগ করা হলে একটি হাল্কা জ্বলন বা ঝাঁঝালো সংবেদন সৃষ্টি করতে পারে। অনেক ব্যথা উপশমকারী পণ্যেও ক্যাপসাইসিন থাকে।
আদা : শরীরচর্চা এবং দৌড়ানোর ফলে মাংসপেশির যে ব্যথা হয়, ৫ দিন এক টানা ২ গ্রাম করে আদা খেলে সেই ব্যথা হ্রাস পায়। আদা রোগমুক্তি ত্বরান্বিত করতে পারে এবং ব্যায়াম সম্পর্কিত প্রদাহ কমাতে পারে।
হলুদ : হলুদের মধ্যে কারকিউমা নামক একটি উপাদান থাকে। তা ব্যথা উপশম করতে সহায়তা করে। বিশেষত হাঁটুর অস্টিওআর্থারাইটিসের চিকিত্সায় এটি অত্যন্ত কার্যকর। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রতেও ব্যথানাশক হিসেবে হলুদের প্রচলন রয়েছে।
যোগচর্চা : যোগ অনুশীলন প্রাকৃতিকভাবে ব্যথা নিয়ন্ত্রণের অত্যন্ত উপযোগী একটি পন্থা। বিশেষত কোমর ও পিঠের ব্যথা নিরময়ে যোগ খুবই উপযোগী। যোগ মানসিক চাপ কমাতেও সহায়তা করে। ফলে উদ্বেগ ও মানসিক চাপ সংক্রান্ত ঘাড় ও মাথা ব্যথা থেকে মুক্তি পেতেও বেশ কার্যকর এটি।
সবার ব্যথার কারণ ও তীব্রতা এক নয় । কাজেই ব্যথা কমাতে নিতে হবে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ।
Reporter Name 

























